গড়াইনিউজ২৪.কম:: কুষ্টিয়া শহরতলীর পুলিশ লাইনের সামনে অবস্থিত ব্লু-বার্ড স্কুল ও কোচিং, কিন্তু ব্লু-বার্ড কোচিং ও স্কুলের ভবিষ্যৎ কোথায়? ব্লু-বার্ড স্কুল ও কোচিং এর চেয়ারম্যান মোঃ মেহেদী হাসান, তিনি একজন বাংলাদেশ পুলিশের সরকারী কমকর্তা আজ এখানে তো কাল আর এক খানে। তাহলে ব্লু-বার্ড স্কুল ও কোচিং এর ভবিষ্যৎ কি উজ্জল হবে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, ব্লু-বার্ড স্কুল এর প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি এবং পাঠদান করানো হয় প্রতি বছর, বছর শুরুতে ছাত্র-ছাত্রী ভালোয় হয়, কিন্তু বছরের মাঝামাঝিতে অনেক ছাত্র-ছাত্রী ঝড়ে যায়, কিন্তু কেন? ব্লু-বার্ড স্কুল ও কোচিং এর বর্তমান মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১৮০ জন। এবং এই স্কুলের মোট শিক্ষিকা ৫ জন, কিন্তু অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর প্রশ্ন স্কুলে কোন শিক্ষক নেই কেন? এই নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে শুরু হয়েছে নানা ধরনের গুঞ্জন। আরো জানা যায়, নেই কোন সরকারি লাইসেন্স, সুশিক্ষিত শিক্ষক মহল ও শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ। কোন রকম সরকারি নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করে তার নিজের মন গড়া নিয়মে শিক্ষাকে পণ্য বানিয়ে প্রতারণা করছে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে। জানা যায়, ব্লু-বার্ড স্কুল ও কোচিং এর চেয়ারম্যান মেহেদী ২০০৯ সালে সর্বপ্রথম ব্লু-বার্ড কোচিং এর নাম করন করে শিক্ষার নামে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম ও অর্থ বানিজ্য। প্রথম দিকে পড়াশোনার মান ভাল থাকলেও কিছু দিন পর বেরিয়ে আসে ব্লু-বার্ড কোচিং এর চেয়ারম্যানসহ শিক্ষকদের থলের বিড়াল। ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে অ-শালিন আচরন ও অর্থ বাণিজ্যের কারনে অল্প দিনেই গুটিয়ে যেতে থাকে তার শিক্ষা বাণিজ্য। বিভিন্ন সময় নানা ধরনের অপকর্মে হাতে নাতে ধরা পড়ে ভোগান্তি পোহালেও থেমে থাকেনি তার কূৎসিত মনের নানা ধরনের কূ-কাজ। যার ফল ভোগ করতে হয়েছে উক্ত কোচিং এর বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীদের। ব্লু-বার্ড কোচিং শিক্ষকদের নানা অপকর্মে বিতর্কিত হওয়ার পর আবার নতুন করে শুরু করে ব্লু-বার্ড স্কুল ও কোচিং নামক কথিত প্রতিষ্ঠান। যেখানে পড়া শোনার থেকে গল্প ও আড্ডায় বেশি হয়ে থাকে শিক্ষিকা এবং মহিলা অভিভাবকদের সাথে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কথা বলে কমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের কাছ থেকে মাসিক বেতন ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে থাকে। ভাল শিক্ষার কথা বললেও সেখানে নেই কোন ভাল শিক্ষক ও শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্লু-বার্ড স্কুল ও কোচিং এর একজন শিক্ষক জানান, এখানে পড়াশোনার মান ভাল না, শুধুমাত্র টাকা আয়ের জন্য মনে হয় এই প্রতিষ্ঠান খোলা, বেশীরভাগ সময় শিক্ষিকা এবং সুন্দরী মহিলা অভিভাবকদের নিয়ে খোশ গল্পে মেতে থাকেন চেয়ারম্যানসহ পরিচালকরা। তাই কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল। তা না হলে, যে কোন সময় ঘটাতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা এমনি ধারনা করছেন অনেকে। চলমান……..