
পাংশা পতিনিধি, আহম্মেদ নাসির, গড়াইনিউজ২৪.কম:: খোকসা থানার শিমুলিয়া গ্রামের কয়েক হাজার বিঘা ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে! আমাদের পাংশা পতিনিধি আহম্মেদ নাসির কথাগুলো শুনছিলেন খোকসা থানার শিমুলিয়া উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন মোল্লা ও নিখিল হলদার সহ আরো কয়েকজনের সাথে। একই উপজেলার শিমুলিয়া গ্ররাম সহ কয়েক গ্রামের ঐ একি অবস্থা জমিতে ধানের চাষ করেছিলেন। ফলনও ভালো হয়েছিল। কিন্তু হটাত বৃষ্টি লাগাতার বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় আফাজ উদ্দিনের ৭ বিঘা ও নিখিল হলদার এর ৮ বিঘা জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে তাড়াহুড়ো করে আধা পাকা জমির ধান কেটে ঘরে তুলতে বেস্ত আছেন বলে জানালেন এলাকার আরো কিছু চাষীরা তিনি বলেন, তার মতো আরও অসংখ্য কৃষকের মাথায় হাত উঠেছে শিমুলিয়া সুইচ গেট না ছারলে হয়ত এমন হতননা অনেকের ধান ফসল এখন পানির নিচে। আর তলিয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক কাঁচা ধান কেটে ঘরে তুলছেন। বিভিন্ন হাওর ঘোরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। চৈত্রে এমন বৃষ্টি আর ঢলে ক্রমশ পানিতে ডুবছে কৃষকের স্বপ্নের ধানি ফসল। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত আজ মঙ্গল বার (২৫ এপ্রিল) দিনগত রাত ও মঙ্গলবারের ভারি বর্ষণে ও সুইজগেইট খুলে দেওয়াতে নিম্নাঞ্চলের মতোই তলিয়ে গেছে এসব হাওরের কয়েক হাজার বিঘা ফসলি জমি। ফলে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন মোল্লা ও নিখিল হলদার জমির মালিক গড়াই নিউজকে বলেন, জমিতে আধাপাকা ধান। এরই মধ্যে প্রবল বর্ষণে ধানি জমি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। শ্রমিকদের দ্বিগুণ টাকা দিয়ে কাজে আনতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে তিনি এবার জমিতে ধান খেত করে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলেও জানান এই কৃষক। সরেজমিনে দেখা গেছে, হাওরাঞ্চলের পানি ক্রমশ বেড়ে চলেছে। এতে করে তলিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার বিঘা ধানি জমি। ফলে কৃষকরা বাড়তি মজুরি দিয়ে শ্রমিকদের কাজে লাগাচ্ছেন। তবে অনেকে সময় মতো শ্রমিক না পেয়ে পড়েছেন বিপাকে। এলা বাসির দাবি দ্রত গোপালপুর সুইগেট খুলে দিলে এমন সমশ্বা হতনা আমাদের এই খতিও হতোনা দুয়েক দিনের মদ্ধে এই পানি নিস্কাসন করলে এখনো অনেকেরি ধান বাচানো সম্ভব তবে কি পরিমান কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন- এর পরিসংখ্যান এখনও নির্ণয় করা যায়নি বলেও জানান তিনি।

























