
মেহেরপুর থেকে মাসুদ, গড়াইনিউজ২৪.কম:: গতকাল দুপুরে মেহেরপুর জেলা কৃষকদলের সাবেক সভাপতি ওয়াপদা রোডস্থ নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন ১৯৫৮ সালে স্কুলে লেখাপড়ার মধ্য দিয়ে বড়দের সঙ্গে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম এবং ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ও ১৯৬৯ সালের ১১ দফা আন্দোলনে লাগাতার সংযুক্ত ছিলাম। ১৯৬৩ সালে এস.এস.সি পাশ করে মেহেরপুর সরকারি কলেজে ভর্তি হয়ে পড়াশুনার মধ্য দিয়ে কলেজ স্টুডেন্ট ইউনিয়নে ভোটের মধ্যমে সদস্য নির্বাচিত হই এবং আয়ূব হঠাও আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। ১৯৬৫ সালে এইচ.এস.সি পাশ করি এবং কলেজ স্টুডেন্ট নির্বাচনে জিএস নির্বাচিত হই এবং ঐ বৎসরেই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মরহুম এসকে আসকারী, মরহুম সাহাবাজ উদ্দীন, মরহুম সাহাজাহান খাঁন, আব্দুল হাকিম লাল মিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রলীগ গঠন করি ও আয়ুব হটাও লাগাতার আন্দোলন করি। ১৯৬৭ সালে বি.এ পরীক্ষার পর শিক্ষকতায় প্রবেশ করি। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে কাজ করি ও ১৯৭১ সালে ১৭ই এপ্রিল দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করি এবং সাবেক এমপি মরহুম সহিউদ্দিন সাহেবের নেতৃত্বে আসকারী (পটল) -সেক্রেটারী, শাহাজাহান খান-সদস্য, আব্দুর রব-সদস্য, খাদেমুল ইসলাম-সদস্য বেতাই সিভিল নগর ইউথ রিসিভসন ক্যাম্পে সুদীর্ঘ নয় মাস ক্যাম্প পরিচালন করি। দেশ স্বাধীন হলে দেশে ফিরে এসে চাকুরীতে যোগদান করি এবং মেহেরপুর পৌরসভার ফুড কমিটির সদস্য মনোণীত হই। পরে ১৯৭৩ সালে জেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। পরের পৌরসভা নির্বাচনে পৌর কমিশনার নির্বাচিত হয়ে একটানা ১৫ বৎসর পৌর কমিশনার হিসেবে কাজ করি এরপর ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’ তে যোগদান করে পৌর কমিটির সিনিয়র সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। পরে জেলা কৃষক দলের সভাপতি হিসাবে রাজনীতি করি। বর্তমানে দলের মধ্যে গণতন্ত্র না থাকা এবং জুনিয়র- সিনিয়র বিবেচনা বোধের অভাবে দল হতে পদত্যাগ করেছি বলে লিখিত বক্তব্যে জানাগেছে।

























