
কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: আজ দুপুরে কুষ্টিয়া পশ্চিম মজমপুর মাদ্রাসাতুল আবরারের দুই শিক্ষক ও পাঁচ ছাত্রকে অমানুষিকভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন সজীব হোসেন সহ তার গ্যাংরা। মাদ্রাসা ও স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, ৫ শিশু ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। ঘটনা সম্পর্কে তাদের ভাষ্য, মাদ্রাসার সাথে তাদের বাড়ি হওয়ায় বেশ কিছুদিন যাবৎ আমাদের হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে হাবিবসহ সজীব গ্যাংরা। সজীবরা নামাজের সময় জোড়ে সাউন্ড দিয়ে গান বাজায়। নিষেধ করার পরও কোন কথা শোনে না সজীব গ্যাংরা। বরং কয়েকদিন আগে হিফজখানার তিনজন ছাত্রকে তারা হুমকি ধামকি দেয় বলে শিক্ষকদের কাছে অভিযোগ করে। এই বিষয় নিয়ে মাদ্রাসা কমিটি বা স্থানীয়দের এই পর্যন্ত কিছুই বলেননি মাদ্রাসা শিক্ষকরা। তবে আজ হঠাৎ জোহরের নামাজের পরে সজীব গ্যাংরা মসজিদের মাইকের তার কেটে দেয়। এবং দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে হঠাৎ অর্তকিতভাবে হামলা চালায় মোঃ হাবিবুর রহমান, হাবিবুর রহমানের স্ত্রী, মোঃ সজীব হোসেন সহ সজীবের গ্যাংরা মসজিদের ভিতরে প্রবেশ করে হামলা চালায় এবং এই জায়গা থেকে মাদ্রাসা তুলে দেওয়ার হুমকি দিয়ে যায়। হামলার সময় ৯ বছরের মাদ্রাসার শিশু ছাত্র সহ মোট পাঁচজন ছাত্র আহত হয় এবং দুইজন শিক্ষক গুরুতর আহত হয়। বর্তমানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই রির্পোট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

























