
কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় সরকারি খরচে একটি করে মডেল মসজিদ নির্মানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। তারই ধারাবাহিকতায় কুষ্টিয়ার ৬ উপজেলায় ৬টি মডেল মসজিদের টেন্ডার সম্পন্ন হয়। দৌলতপুর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণের কাজটি গ্যালাক্সি এসোসিয়েট এর অনুকুলে দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ছাদিকুজ্জামান খান সুমন পেয়েছেন। তারা বাবু’র সাফকথা ৬০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে কাজের সাইটে যে যাবে তার লাশ পড়ে যাবে। কুষ্টিয়ার টেরর জগতের এক ত্রাসের নাম তারা বাবু। প্রতিবেশী দেশে পলাতক চরমপন্থী সংগঠনের এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নাম ভাঙিয়ে সে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে কুষ্টিয়ায়। প্রতিটি ঠিকাদারী দপ্তরে এক আতংকিত নাম তারা বাবু। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ইমোতে কথা বলিয়ে থাকে সেই পলাতক চরমপন্থী নেতার সাথে। ঠিকাদারদের বাধ্য করা হয় শীর্ষ চরমপন্থীর স্ত্রীর মালিকানাধীন সৈকত এন্টারপ্রাইজের সাথে জেভি চুক্তি করতে। না করলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। বিএনপি সরকারের সময় চরম দাপটের সাথে চরমপন্থী সংগঠনগুলির সাাথে দাপিয়ে বেড়িয়েছে তারা বাবু। সম্প্রতি সেই চিত্র কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় বিস্তর প্রকাশের পর সে হঠাৎ করে গা ঢাকা দেয়। সম্প্রতি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এই তারা বাবু। প্রধানমন্ত্রী টেন্ডারবাজির চির অবসান ঘটানোর জন্য চালু করেছেন ইজিবি ব্যবস্থা। তারপরেও থেমে নেই টেন্ডারবাজরা। তারাও পরিবর্তন করেছে তাদের কৌশল। ইজিবিতে কাজ পাওয়ার পর ঐ ঠিকাদারকে কাজের মোট মুল্যের ৫% চাঁদা দিতে হয় তারা বাবুকে অথবা শীর্ষ চরমপন্থী’র স্ত্রীর মালিকানাধীন সৈকত এন্টারপ্রাইজের নামে জেভি করতে হয়। অন্যথায় ঐ ঠিকাদারকে কাজের সাইটে যেতে দেওয়া হয়না। অস্ত্রের মুখে নানা রকম হুমকি ধামকি দেয় তারা বাবুর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা। সূত্র মতে জানা যায়, বিএনপি সরকারের সময় মজমপুর গেটে ঠিকাদার নান্নু হত্যা, হাসপাতালের সামনে মানু হত্যা, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সামনে ঠিকাদার নাসির হত্যাসহ সড়ক ও জনপদ অফিসের সামনে জোড়া মাথা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনে জোড়া মাথাসহ অসংখ্য হত্যার রেকিম্যান হিসেবে তারাবাবুর নাম উঠে এসেছে।
জনমনে প্রশ্ন, শীর্ষ চরমপন্থীর স্ত্রীর নামে প্রতিটি দপ্তরে সৈকত এন্টারপ্রাইজের নামে লাইসেন্স করেছে কে? কারা এই লাইসেন্স পরিচালনা করে? চরমপন্থীর স্ত্রী কোন অফিসে আসেনা তাহলে কারা নিয়ন্ত্রন করে এই লাইসেন্স? কারা ঠিকাদারকে বাধ্য করে হয় মৃত্যু না হয় সৈকত এন্টারপ্রাইজের সাথে জেভি? তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। বিএনপির টেন্ডারবাজরা বর্তমানে নানা কৌশলে বর্তমান আওয়ামীলীগের সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। কুষ্টিয়া- মেহেরপুর সড়ক, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ি সড়ক, শিলাইদহ কুঠিবাড়ি সড়ক, মেডিকেল কলেজ নির্মাণসহ সবখানে বিএনপি’র হাওয়া ভবনের চিহ্নিত ঠিকাদারদের কাজ পাওয়ার পেছনে বিএনপির টেন্ডারবাজদের কালো হাত রয়েছে। আওয়ামীলীগের ২/১ জন ঠিকাদার কাজ পেলে তার উপর নেমে আসে তারাবাবু’র সন্ত্রাসীদের কালোথাবা। অস্ত্রের মুখে স্ট্যাম্পে কাজ লিখে নেয় অথবা সৈকত এন্টারপ্রাইজের সাথে জেভি করতে হয়। নইলে হত্যার হুমকি অথবা ভারতে পলাতক শীর্ষ চরমপন্থীর এক বন্ধুর সম্পাদিত কুষ্টিয়ার একটি দৈনিক পত্রিকায় আওয়ামীপন্থী ঠিকাদারদের চরত্রিহনন করা হয়। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানায় টেন্ডারবাজ তারাবাবুসহ ৩ জনের নামে জিডি হয়েছে। দৌলতপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, জিডি তদন্ত চলছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

























