কুষ্টিয়ায় র‌্যাব ও ছাত্রলীগ এর পরিচয়ে মানিক ও সোহানের বিরুদ্ধে অপহরন ও ধর্ষনের অভিযোগ!

0
784
কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি পদপ্রার্থী পরিচয় এ এবং কুষ্টিয়া র‌্যাব-১২ সিপিসি-১ কুষ্টিয়া জেলা কোম্পানি কমান্ডার এর আপন ভাগ্নে হিসাবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে কুষ্টিয়ায় বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে লিপ্ত থাকে মানিক।

কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি পদপ্রার্থী পরিচয় এ এবং কুষ্টিয়া র‌্যাব-১২ সিপিসি-১ কুষ্টিয়া জেলা কোম্পানি কমান্ডার এর আপন ভাগ্নে হিসাবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে কুষ্টিয়ায় বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে লিপ্ত থাকে মানিক ও সোহান। এইসব পরিচয়ে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা, মেয়েদের কাছে থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত। র‌্যাব কমান্ডারের ভাগ্নে পরিচয়ে ও ছাত্রলীগের পরিচয়ে মানিক ও সোহানের কাজ বিভিন্ন মেয়েদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে তা ভিডিও ধারন করে বøাকমেইলিং করা। এবং পরে তা মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে মিটমাট করা। ভুক্তোভোগীরা বলছে মানিকের কাজ অনৈতিক সম্পর্ক করা আর সোহানের কাজ সিষ্টেম দেয়া। তথ্য সূত্রে জানা যায় মিরপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি গ্রামের পিতাঃ অজ্ঞাত, মোঃ মানিক (২২) চারমাইলে গোপনে বিয়ে করে রেখে দিয়েছে। এই বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান অনিকের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এই মানিক আমাদের সংগঠনের কেউ না। তবে সে যদি ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন সহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে র‌্যব-১২ কুষ্টিয়া জেলা কমন্ডার মোঃ ইলিয়াস খানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমিও শুনেছি এই বিষয়টি, তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ৪/৩/২০২২ইং এ রাত ১০টার সময় মিরপুরের চারমাইল এলাকার মোঃ মমিনুর প্রামানিক এর মেয়েকে জোর পুর্বক তুলে নিয়ে যায় মানিক ও সোহানের গ্যাংরা। ভুক্তোভোগী ওই মেয়েকে দুজনে মিলে ধর্ষন করে ভিডিও ধারন করে পরের দিন মেয়ের বাড়িতে মেয়েকে ফেরত দিয়ে যায়। আবার এই বিষয় নিয়ে ভুক্তোভোগীর দুলাভাই প্রতিবাদ করতে গেলে মানিক ও সোহান তার গ্যাং দিয়ে কানাবিল মোড়ে আনুমানিক ৯টার সময় তার উপর অর্তকিত ভাবে হামলা চালায়। হামলার ঘটনায় সে গুরুতর জখম হই এবং পরে র‌্যাব-১২ এর টহল গাড়ির সামনে পরে। পরে র‌্যাবের ধাওয়াতে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এই বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় ও মিরপুর মডেল থানায় পৃথকভাবে মেয়ের বাবা মমিনুর প্রামাণিক ৪ জন আসামী অজ্ঞাত রেখে মোট ৬ জনকে বাদি করে মামলা করে। আসামী: ১। মোঃ মানিক (২২), পিতা: অজ্ঞাত, সাং- খলিশাকুন্ডি, থানাঃ দৌলতপুর, জেলা কুষ্টিয়া। ২। মোঃ সোহান (১৮) পিতাঃ মোঃ মুন্না, সাং- কানাবিল মোড়, কুষ্টিয়া সদর কুষ্টিয়া। এদেরকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীরা জোর দাবী জানিয়েছে।