
গড়াইনিউজ২৪.কম:: কুষ্টিয়া জেলাকে সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয়। কিন্তু তার হৃদপিন্ড কুমারখালী উপজেলা। কুমারখালী বাসীর প্রানের দাবী ছিলো, গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙাল হরিনাথ মজুমদার স্মৃতি কমপ্লেক্সে নির্মাণ। গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙাল হরিনাথ মজুমদার স্মৃতি কমপ্লেক্সে নির্মাণ শুরু থেকে কুমারখালী পৌরসভা সার্বিক সহযোগীতা করেছেন। আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে পরিপুর্ন বাস্তবায়ন হবে কাঙাল হরিনাথ মজুমদার স্মৃতি কমপ্লেক্সে। পৌর পরিষদের সুযোগ্য মেয়র, মোঃসামছুজ্জামান অরুণ ও পৌরবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক ভাবে অভিনন্দন জানাই বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বতর্মান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে । দেশ বিদেশ থেকে দর্শনার্থী আসবে। তাদের গাড়ী পার্কিংয়ের কোন ব্যাবস্থা নেই। তাই ব্যাবস্থা না হওয়া পর্যন্ত পৌর ভবনের মধ্যে গাড়ী পার্কিং করার অনুমোদন মেয়র মহোদয় দিবেন। কুমারখালীতে ব্যাবসা বানিজ্য ভাল হবে আমি বিশ্বাস করি। সাংস্কৃতিক মন্ত্রনালয় যদি কমপ্লেক্সটি পৌরসভাধীন সংরক্ষন দেখা শোনার ও পরিচালনার দায়িক্ত দেন। সেই ক্ষেত্রে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজ্বস বাঁচবে তেমনি কমপ্লেক্সটি সুন্দর ভাবে থাকবে। ইনডিপেনডেন্ট টিভি, আরটিভি, মাইটিভি ও গড়াইনিউজ.কমের সাথে ঐতিহাসিক এম.এন প্রেস, গ্রামবার্তা প্রকাশিকা, প্রকাশিত গ্রন্থাবলী ও অপ্রকাশিত পান্ডুলিপি নতুন মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করে দর্শনার্থী, গবেষক, কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিকদের প্রেরণার সাহস যুগানো সহ কুমারখালী উন্নয়নের ক্ষেত্রে ও একধাপ এগিয়ে গেলো বললেন কুমারখালী পৌরসভার কাউন্সিলর মোঃ রফিক।

























