এ্যাডভান্স ফিড মিলের কারনে জুগিয়াতে করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে!

0
880

কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: কুষ্টিয়া জুগিয়ার জনবহুলের মধ্যভাগে এ্যাডভান্স পোল্ট্রি ফিড মিলস হওয়ার কারনে এলাকাতে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। করোনা ভাইরাস মহামারীতে গোটা বিশ্ব তার ন্যায় বাংলাদেশও একটি কঠিন অবস্থার মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। জনগনের সুরক্ষার কথাচিন্তা করে বর্তমান সরকার সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে গুরত্ব¡ দিয়ে এলাকা লক ডাউনের মতো ব্যবস্থা নিয়ে সংক্রমন রোধ করতে কাজ করে যাচ্ছে। তাই সকল প্রকার গণজমায়েত করতে নিষেধাজ্ঞাসহ করোনা ভাইরাস এর হটস্পট চিহ্নিত করা জেলাগুলো থেকে সকল পরিবহন নিষিদ্ধ করলেও বর্তমানে আবাসিক এলাকা জুগিয়া ও বারখাদার মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা এ্যাডভান্স পোল্ট্রি ফিডস নামক একটি মাছ, মুরগির খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। প্রতিনিয়ত এই মিলে সকল ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল থেকে ট্রাক ও কার্ভাডভ্যান অবাধে যাতায়াত করছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করছে। সাথে ট্রাকের শ্রমিক এলাকার মধ্যে অবাধে ঘোড়াঘুড়ি করছে যেটা বর্তমান অবস্থার বিচারে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ন। জানা গেছে ট্রাক শ্রমিকের সংস্পর্শে এসে অত্র মিলের একজন শ্রমিক ঠান্ডা ও জ্বর গলাব্যাথা নিয়ে ছুটিতে আছেন। উক্ত বিষয়টি মিল কর্তৃপক্ষ গোপন রেখেছে। মিলের শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে সরকারর যেসব জেলাকে ঝুঁকিপুর্ন ঘোষণা করেছে সেখান থেকে অবাদে ট্রাক কার্ভাডভ্যান যাওয়া আসা করছে। সব থেকে বড় কথা এই মিলের শ্রমিকের কোন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই, স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে কাজ করাচ্ছে তাদের মিল কর্তৃপক্ষ। সুত্রে আরো জানা যায়, ৭জন শ্রমিক করোনা ভয়ে ২দিন কাজে আসে নাই বলে তাদের ছাটাই করেছে। এদের বাড়ী ফিড মিলের পাশে বাগান পাড়ায় হাসেনের বাড়ির পেছনে তাদের নাম না জানাতে অনিহা প্রকাশ করেছে। এমন একটি জনবহুল এলাকায় এইরকম একটি মিল কিভাবে অনুমোদিত হয় তাও এমন মহামারীর মধ্যে দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসীরা মনে করেন যে হয় অবিলম্বে এই মিল বন্ধ করা হোক নয়তোবা অতি জরুরী এই অঞ্চল কে লকডাউন ঘোষণা করা হোক। জনগন অতি স্বাস্থ্য ঝুঁকি মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত করছে। এই অবস্থায় জরুরী ভাবে জুগিয়া বারখাদা কে লকডাউন ঘোষণা করা না হলে করোনা মত মহামারী ভাইরাস বৃহৎ জনবহুল এলাকায় ছড়িয়ে পারতে পারে। তাই ঝুঁকি এড়াতে এই অঞ্চলের কাউন্সিলরদের জরুরী ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে লকডাউন ঘোষণা করতে দায়িত্বশীল ব্যাক্তিদের সাথে আলোচনা করে অতিদ্রæত পদক্ষেপ গ্রহন করতে বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানিয়েছে এলাকাবাসীরা।