দৌলতপুরে রাশেদুল হত্যাকান্ডে নিরাপরাধ মানুষের নামে ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা মামলা

0
1188
নিজস্ব প্রতিবেদক, গড়াইনিউজ২৪.কম:: কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের গাছেরদিয়ার গ্রামের টলটলিপাড়ায় গত ৭/৯ তারিখ সন্ধ্যায় ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে চিন্থিত মাদক ব্যবসায়ী একাধিক মামলার আসামী গোলাম মোস্তফা ছেলে রাশেদুল ইসলাম (৩৫) বাড়ির পাশের মাঠে দূর্বৃত্তদের হাতে জখম হয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মারাযায়। এসময় রাশেদুল এর সাথে থাকা তার প্রতিবেশী ভাতিজা বাহাদুর দূর্বৃত্তদের আক্রমনের শিকার হয় ও চিন্থিত মাদক ব্যবসায়ী একাধিক মাদক মামলার আসামী মশিউর রহমান মূসন দুর্বৃত্তদের তারা খেয়ে পালিয়ে যায় বলে জানাযায় মামলা সুত্রে। রাশেদুল হত্যাকান্ডে দৌলতপুর থানায় তার পিতা গোলাম মোস্তফা বাদি হয়ে পরের দিন ১২ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলার এজাহার দায়ের করেছে মামলা নম্বর-১১। নিহত রাশেদুল এর হত্যা মামলা উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে এলাকার নিরীহ নিরাপরাধ মানুষকে জরিয়ে বিশেষ সুবিধা আদায়ে করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে আসামীদের পরিবার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, নিহত রাশেদুল একজন মাদক ব্যবসায়ী ও চিন্থিত মাদক কারবারী সরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত একাধিক মাদক মামলার আসামী সম্রাট ও মাহাবুল বাহিনীর ক্যাডার। আল্লারদর্গা ও হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদক এর গডফাদার স¤্রাট ও মাহাবুল এর নেতৃত্বে রাশেদুল ঐ এলাকায় নিয়মিত ফেন্সিডিল ও ইয়াবার ব্যবসা করত বলে জানাযায়। এদিকে, প্রকাশ্যে রাশেদুল এর মাদক ব্যবসা দেখে ফেলা ও নিষেধ করায় খোকন ও টোকন এর উপর গত ঈদুল আযহার আগের দিন রাশেদুল, বাহাদুর, বাদশাসহ কয়েকজন হামলা চালিয়ে খোকনকে মারাত্বক ভাবে জখম এবং মাথার তালুতে তিন জায়গায় ক্ষত সৃষ্টি হয়। এঘটনায় রাশেদুলসহ আসামীদের এর বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় অভিযোগ এস আই প্রকাশ এর অধিনে তদন্তাধিন রয়েছে বলে জানা গেছে। এঘটনার  প্রেক্ষিতে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে আসামীরা রাশেদুল এর উপর হামলা চালায়। রাশেদুল নিহতের ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষদর্শীদের উপর নির্ভর করে ১২ জনকে আসামী করে হত্যামামলা দায়ের করেছে রাশেদুল এর বাবা গোলাম মোস্তফা। বিভিন্ন সুত্রে জানাযায়, মামলায় বাদি গোলাম মোস্তফা এবং রাশেদুল এর পরিবারের আপত্তি থাকা সত্বেও মামলায় কয়েকজন চিন্থিত সন্ত্রাসীকে আসামীর তালিকা থেকে বাঁচাতে নিরীহ নিরাপরাধ ব্যবসায়ী, ছাত্র ও তার পিতাকে আসামী করা হয়েছে বিশেষ সুবিধা আদায়ে। এঘটনায় প্রত্যক্ষ ভাবে জরিত মাদক এর গদফাদার স¤্রাট ও মাহাবুল। দায়ের কৃত হত্যা মামলার আসামীদের সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক না থাকলেও বিশেষ সুবিধা আদায়ে সম্রাট ও মাহাবুল নিরাপরাধ ব্যাক্তিদের নাম জরিয়ে ঘটনার সাথে জরিত ব্যাক্তিদের আড়াল করার চেষ্টা করেছে। হত্যাকান্ডের সাথে জরিত বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে, গাছেরদিয়ার এলাকার চিন্থিত কালোবাজারি মৃত আপেল এর ছেলে বাহার, মফের এর ছেলে হিলন ও মিলন এর বিরুদ্ধে। এরা সকলেই এজাহারনামীয় আসামীদের সাথে হামলায় অংশগ্রহন করেছে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানাযায়। এদিকে  সম্রাট ও মাহাবুল আহত রাশেদুলকে হাসপাতালে নেয়ার পথে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পায়ের রগ কেটে দেয়ার নির্দেশ দিতে পারে তার ক্যাডার মইনুদ্দিন এর ছেলে জিয়াকে এমন কথা ঐ এলাকার সকল মানুষের মুখে মুখে। প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানায়, আহত রাশেদুল মাঠে পড়ে থাকলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানের সময় পায়ে আঘাতের বা রক্তের কোন চিন্থ দেখতে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে মৃত্যুর পরে তার পায়ে আঘাতের চিন্থ দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা অবাক হয়েছেন। জিয়া ও সম্রাট আহত রাশেদুল কে দৌলতপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহত রাশেদুল প্রচুর রক্তক্ষরনে মৃত্যু বরন করে। নিহত রাশেদুল এর সহযোগী ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মশিউর রহমান মূষন, নাপিত সোহেল, মাদকএর গডফাদার সম্রাট ও মাহাবুল এর মাদক বিক্রয়ের সময় হাতে নাতে দৌলতপুর থানা পুলিশ ও র‌্যাবের হাতে বিভিন্ন সময় আটক হয়ে মামলার আসামী হলেও স্থানীয় প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতার রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সম্রাট ও মাহাবুল মামলা থেকে বেঁচে যায়। গাছেরদিয়ার এলাকায় সম্রাট ও মাহাবুলের মাদক ব্যবসা শুধু এরাই নয় আরো রতি মহারতিরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে করে থাকে বলে অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে। মাদকের গড ফাদার সম্রাট ও মাহাবুল এর প্রধান মাদক বিক্রয়কর্মী টলটলি পাড়ার যৌনদাসী রোকেয়া ভাবি। এই রোকেয়া ভাবি আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার হয়ে প্রায় ডজন খানেক মাদক মামলার আসামী এর সাথে সম্রাট ও মাহাবুল সম্পৃক্ত থাকলেও বার বার অদৃশ্য কারনে বেঁচে যায়। সম্রাট তার ক্যাডার বাহীনি নিয়ে এই রোকেয়া ভাবির বাড়ির সামনের দোকানে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বসে মাদকসেবীদের নিয়ন্ত্রনসহ প্রশাসনের নজরদারীতে থাকে। টলটলি পাড়ার অপর দিকে আমজাদ মেম্বরের মোড় এই মোড়ে মাদকের নিয়ন্ত্রন করে সম্রাট এর প্রধান সহযোগী মাহাবুল এর ক্যাডার একাধিক মাদক মামলার আসামী পেটকাটা খোকন ও সরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকা ভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী মুকুল ওরফে চিকন আলী। মাদক নিয়ে ধরা খেলে সম্রাট দ্রুত তাদের রক্ষায় প্রশাসনের সাথে তদবির কাজে রাজনৈতিক নেতাদের ব্যবহার করে থাকেন বলে বিভিন্ন সুত্রে জানাযায়। মাদক ব্যবসায়ী মুকুল ইতিপূর্বে মাদকনিয়ে প্রশাসনের হাতে ধরা খেলে মার খেয়ে তার গালের দাত ভেঙে যায় তাই তাকে অনেকেই দাত ভাঙা মুকুল বললেও চিনে থাকে। সম্রাট ও মাহাবুলের নিয়মিত মাদক সাপ্লাই এর কাজ করে থাকে মইনুদ্দিন ওরফে ময়লাল এর ছেলে জিয়া ও মূষন এর বড় ভাই এর শালা সাদ্দাম। এই জিয়া ও সাদ্দাম রোকেয়া ভাবি থেকে শুরু করে মুকুল, মূষন, রাশেদুল, পেটকাটা খোকনসহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মাদক সরবরাহের কাজ করে থাকে তাদের গডফাদার সম্রাট ও মাহাবুলের নির্দেশে। বর্তমানে রাশেদুল হত্যাকান্ডের জের ধরে সম্রাট তার ক্যাডার বাহীনি দিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে লুটপাটের ফন্দি আটছে। পুলিশ সুপারের সঠিক নির্দেশনায় দৌলতপুর থানা পুলিশ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আরিফুর রহমান আইনশৃংখলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে রাত দিন এলাকায় পাহা