
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :: অধিকার বঞ্চিত এক মহিয়ষী নারী জিনিয়ার কর“ন কাহিনী নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ পড়–ন প্রথম পর্ব। পাবনার এক বিখ্যাত ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এডর“ক লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মরহুম আব্দুল হামিদ খানের ছেলে পিপ ম্যানুফ্যাকচারিং কেমিষ্ট এর উত্তরাধিকারী ও পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মতিন খান রাজ্জাক ওরফে রেজ্জার গর্বিত স্ত্রী এক প্রতিভাময়ী নারী জিনিয়া খান। সব থেকেও যেন আজ আর নেই। বর্তমানে অসহায় এই বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মতিন খান রাজ্জাক ওরফে রেজ্জার গর্বিত স্ত্রীর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, মরহুম আব্দুল মতিন খান রাজ্জাক ওরফে রেজ্জার একমাত্র পুত্র সš—ান তানজিল রাব্বী খান এর জননী আমি (জিনিয়া খান)। আরও জানা যায়, একজন বহুমুখী প্রতিভাময়ী নারী কণ্ঠ শিল্পী হিসেবে জিনিয়া খান বিশেষ ভাবে সবার কাছে পরিচিত। মেধাবী ও প্রতিভাময়ী নারী জিনিয়া কুষ্টিয়া জেলার মেয়ে। তিনি আড়–য়াপাড়া গার্লস স্কুল থেকে এস.এস.সি পাশ করেন এবং কৃতিত্বের সাথে এইচ.এস.সি পাশ করেন কুষ্টিয়ার ইসলামিয়া কলেজ থেকে। ছোট বেলা থেকেই তিনি সঙ্গীতের প্রতি অনুরাগী ছিলেন। তাই সঙ্গীতে ভাল দখল বরাবরই দেখিয়ে এসেছেন তিনি। পুরস্কৃত হয়েছেন নানা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায়। বাংলাদেশ শিশু একাডেমী আয়োজিত জাতীয় মৌসুমী শিশু প্রতিযোগিতায় তিনি একাধিকবার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনে তাঁর পরিবেশনা বিমুগ্ধ করে অগণিত দর্শক শ্রোতাকে । জিনিয়া একজন আদর্শ গৃহিনী। সঙ্গীত শিল্পী জিনিয়া খান একজন আতœপ্রত্যয়ী এগিয়ে যাওয়া নারী। কিন্তু আজ তিনি অসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করেন, যেন দেখার কেউ নেই। ¯^ামীর সহায় সম্পত্তি হারিয়ে আজ তিনি পথহারা একজন মানুষ। জিনিয়ার ¯^ামী মারা যাওয়ার পর তার ¯^ামীর বাড়ির লোকজন তার সাথে অভিনব কৌশলে শারীরীক, মানসিক ও আর্থিকভাবে অত্যাচার করতে থাকে, তারপরও তিনি সš—ানের সুখের আশায় বাধ বেধেছিলেন। কিন্তু বেশি দিন এই অত্যাচার সহ্য করতে পারেন না, এই অত্যাচারের ফলে জিনিয়া খান এক সময় খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন, আর সেই অসুস্থতার সুযোগে তাকে কুষ্টিয়া পাঠানো হয় চিকিৎসা করার জন্য। আর এই থেকে জিনিয়া খান বর্তমানে ২ বছর কুষ্টিয়াতে অবস্থান করছেন। যেতে পারছেন না সন্ত্রাসীদে ভয়ে তার ¯^ামীর ভিটা পাবনার পিপ এর বাড়িতে। কারন তার ¯^ামীর পিপ এর বাড়িতে গেলে তার একমাত্র পুত্র সš—ানকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। বিশ্ব¯— সূত্রে জানা যায়, পিপ এর হোল্ডিং একজন জাল দলিল করে নাম খারিজ করে এবং সেই পিপ এর বাড়িতে বর্তমানে সন্ত্রাস বাহিনী রাখা হয়েছে, যেন জিনিয়া খান ও তার একমাত্র সš—ান সেখানে যেয়ে কোন জমি না বিক্রি করতে পারে। জানা যায়, পাবনার চাটমোহর হরিপুরে ৭.৫ বিঘা আমের বাগানসহ লেখক সাহিত্যিক প্রমোদ চৌধুরীর বাগান বাড়ি নিলামে খরিদ করেন আব্দুল হামিদ খান। বর্তমানে এই বাগান বাড়ি ভূমিদসূরা জবর দখল করে আছে। পিপ ম্যানুফ্যাকচারিং কেমিষ্ট এর উত্তরাধিকারী ও পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মতিন খান রাজ্জাক ওরফে রেজ্জার এই প্রতিষ্ঠানের নামে পাবনা ক্যাডেট কলেজের কাছে মাহাতাব বিশ্বাস ভাটার পাশে ১৩৫ বিঘা জমি আছে, এছাড়া পাবনার দপকুলাতে ২৮৫ বিঘা, পাবনা জমিদার পয়দা মাঠে ১৬০ বিঘা এত সম্পত্তি থাকতেও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মতিন খান রাজ্জাক ওরফে রেজ্জার একমাত্র সš—ান ও স্ত্রী আজ অসহায়। একমাত্র সš—ান অর্থের অভাবে এস.এস.সি পাশ করে পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গেছে। একজন বহুমুখী প্রতিভাময়ী নারী কণ্ঠ শিল্পী জিনিয়া খান যার ¯^ামীর প্রচুর সম্পদ আর তারই কিনা ঔষধ কেনার কোন টাকা নেই। জিনিয়া খান বর্তমানে ভিষন মানসিক চাপ ও অসুস্থতায় ভুগছেন। জিনিয়া খানের এই অসু¯—তার কারনে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা ঔষধ লাগে, যেই অর্থ যোগাতে তাকে হিমসিম পৌহাতে হচ্ছে। কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হয়েও এই গুণী নারী জিনিয়া খান নানা কারণে বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে জানালেন তিনি। একটি ¯^ার্থাšে^ষী মহল আজ জিনিয়ার জীবনকে বিষিয়ে তোলেছে। সহায় সম্পত্তি থেকে তাকে বঞ্চিত করার জন্য একটি মহল আজ তৎপর হয়ে উঠেছে। ইতিপূর্বেই এই মহলটি কব্জা করে নিয়েছে তার ব্যবসা ও সহায় সম্পত্তি। তাকে ব্যবসার সকল অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তারা নিচ্ছে সব টাকা পয়সা। অর্থ সংকটে আজ এই মহিয়ষী নারীর জীবন আজ বিপন্ন হয়ে উঠেছে। এমনি অবস্থায় জিনিয়া খান ও তার একমাত্র পুত্র সš—ান তানজিল রাব্বী খান সরকার ও প্রশাসনের হ¯—¶েপ কামনা করেছেন।

























