কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: কুষ্টিয়ায় খেয়া রেস্তোরা নিয়ে চলছে নানা রহস্যের ধ্রূমজাল। যেখানে রেস্তোরার মালিকদের চারিত্রিক সমস্যা থাকে, সেখানে সাধারন জনগনের (সুন্দরী নারী) নিরাপত্তা কোথায়?কুষ্টিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বিলাস বহুল খেয়া হোটেলে সাম্প্রতিক আমেরিকান ফ্রিন্যান্স ফটো সাংবাদিক এ্যালিসন জয়েস এর মানহানি করার উদ্দেশ্যে হোটেল মালিক বিশ্বনাথ সাহা বিশু আক্রমনের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর থেকে খেয়া আবাসিক হোটেলকে নিয়ে নানা রহস্যের কথা শোনা যাচ্ছে সাধারন মানুষের মুখে মুখে ।হোটেলে নারী সাংবাদিকের উপর আপত্তিকর ঘটনার পর অনলাইন ভিত্তিক পত্রিকা গড়াইনিউজ২৪.কম এর প্রতিনিধিরা কুষ্টিয়ায় অবস্থিত বিলাস বহুল হোটেল খেয়া সম্পর্কে অনুসন্ধানে কাজ শুরু করে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, কুষ্টিয়া ছয় রাস্তা মোড়ে সাম্প্রতিক গড়ে ওঠা খেয়া আবাসিক হোটেলর পাশাপাশি রেস্তোরার ব্যবস্থা রয়েছে। শহরের সবচেয়ে উচু শ্রেণীর মানুষসহ প্রশাসনের কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার যাতায়াত রয়েছে এই হোটেলে। হোটেল খেয়া সম্পর্কে স্থানীয় জনসাধারনের সাথে আলাপকালে তারা জানান, এই হোটেলে বিভিন্ন সময় আপত্তিকর আবস্থায় ছেলে মেয়ে একই সাথে প্রবেশ করে যা কোনও ভাবে সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। এই রেস্তোরার সব মেনুর চড়া দাম, আর তাতে এখানে সাধারন জনগনের তেমন আনাগোনা নেয়। তবে রাত যত গভীর হয় মদের আসরে তত ভীড় হয়। এই রেস্তোরার সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বেতন দিয়ে খরচ হয় আনুমানিক মাসে ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা, যা মেনুর আইটেমের খাবার বিক্রি করে সম্ভব নয়। এখানকর আবাসিক হোটেলের ভাড়া পার নাইট ৫০০০ টাকা, যা কিছু উচ্চ শ্রেনীর লোকজন ছাড়া সাধারন জনগনের পক্ষে সম্ভব নয়। তাহলে কিভাবে আয় করে খেয়া রেস্তোরা? এটাই সাধারন জনগনের মনে প্রশ্ন। আবুল(ছদ্দনাম) নামে ছয় রাস্তা মোড়ে স্থানীয়ও ব্যবসায়ীয় সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীক কাজে অনেক রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে হয়। তাই আমার চোখে অনেক কিছুই ধরা পড়ে। কিন্তু কি করবে কিছু বলতে পারি না। কারণ এখানে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের যাতায়াত রয়েছে। কিছু বললে এখানে ব্যবসা করা কষ্ট হয়ে যাবে। তাই চুপচাপ দেখে যায়। সূত্রে জানা যায়, বিশ্বনাথ সাহা বিশু বাবু প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের নিয়মিতও মাসোহারা দিয়ে তাদের ম্যানেজ করে থাকে। এছাড়াও কোন সাংবাদিক তার পরিচয় দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে গেলে তাতেও বাধা সৃষ্টি করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় কিছু সাংবাদিক সাথে আলাপকালে তারাও হোটেল খেয়া সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য প্রকাশ করে। স্থানীয়ও সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ মনে করে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন যদি অতি দ্রুত হোটেল খেয়া সম্পর্কে সঠিক তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন না করে তাহলে হয়তো আমেরিকান ফ্রিন্যান্স ফটো সাংবাদিকের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার মত আরো অনেক ঘটনার মোকাবেলা করতে হতে পারে ভবিষ্যতে।

























