

রনি অাহমেদ,বিশেষ সংবাদদাতা, গড়াইনিউজ২৪.কম :: : কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের আল্লারদর্গা প্রেস ক্লাবে মাদক বিক্রেতার বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০ টায় দৌলতপুর উপজেলার শিল্পনগরী আল্লারদর্গা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, হাসিবুল ইসলাম লিটন নামে এক পরিবহণ ব্যবসায়ী। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হাসিবুল ইসলাম লিটন অভিযোগ করে বলেন, দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামের আনারুল, আনারুলের স্ত্রী মাছুরা খাতুন ও মেয়ে আশা খাতুন এলাকার কুক্ষাত মাদক ব্যাবসায়ী, তাদের মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কার্যকলাপের কেহ প্রতিবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন সহ নানা অধিযোগে অভিযুক্ত করে সমাজে মান সম্মান ক্ষুন্ন করে আসছে।
তিনি বলেন তাদের অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করায় ২০ অক্টোবর স্থানীয় কয়েকটি দৈনিকে আমাদের নামে নানা রকম অবাস্তব ও অপ্রীতিকর ঘটনা তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
সংবাদের শিরোনামে বলা হয়েছে ” কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ষক পিন্টু’র দৌরত্ব চরমে“ “ধর্ষিতার পরিবারকে মামলা তুলে নিতে অব্যাহত হুমকি” সংবাদের ভিতরে আমিরুল পিন্টু (৪০) পিতা আব্দুল গণি, হসিবুল হাসান লিটন(৩৫) পিতা মসলেম উদ্দীন ও রবিউল ইসলাম (৪০) পিতা আব্দুস ছাত্তারকে ধর্ষণের অপবাদ দিয়ে নানা রকম বিক্রিত ভাষায় সমাজের কাছে মান সম্মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে, এ সব ভিত্তি হীন সংবাদের প্রতিবাদ জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান গত ২০.০৮.১৬ তারিখ সকাল ১০টায় ঘটনার ভিক্টিম মা মাছুরা খাতুন ও মেয়ে আশা খাতুন (২০) একই এলাকার রবিউল ইসলাম ভ্যান চালক ৩নং বিবাদীর শিশু পুত্র আসিফ আহাম্মেদ (৯) কে মোবাইল চুরির অভিযোগে বেধড়ক পিটিয়ে ঘরের বারান্দার খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী মিন্টু ও হাসিবুলের নেতৃত্বে আনারুলের বাড়ীতে গিয়ে প্রতিবাদ করে এবং ছেলেটিকে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে কিছু বুঝে উঠার আগেই আশা খাতুন বাঁশের লাঠি দিয়ে মিন্টুর মাথায় আঘাত করে। মিন্টু মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে ক্ষিপ্ত এলাকাবাসী মেয়ে ও মা এর উপর চড়াও হয়, এতে মা মাছুরা খাতুন ও মেয়ে আশা সামান্য আঘাত প্রাপ্ত হলে মামলা করার জন্য দৌলতপুর হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং দৌলতপুর থানায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন মামলা করতে যায়, পুলিশ তাদের প্রাথমিক সুরত হাল দেখে মামলা রেকড না করে আপোষের জন্য উভয় পক্ষকে থানায় ডাকে।
এমপি পরিবারের লোকজন সহ বিষয়টি আপোষের চেষ্টা করা হলে বাদী পক্ষ দেড় লাখ টাকা দাবী করে, থানা বিষয়টি আপোষ করতে পারে না। বাদী পক্ষ মামলা দায়ের করে কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে, কোট তদন্তের দ্বায়ীত্ব দেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মধুসুদন রায় দ্বায়ীত্বে।
তিনি তদন্ত রির্পোটে ধর্ষণের মত কোন আলামত উপস্থাপন করেননি। তদন্ত রির্পোট দেখে বাদী পক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে প্রত্রিকায় নানা রকম মিথ্যা বানোয়াট কথা সাজিয়ে সামাজিক ভাবে বিবাদীদের হেয় প্রতিপন্ন করছে।
লিখিত বক্তব্যে হাসিবুল ইসলাম আরো জানান বাদীনি এবং ঐ পবিবার টি অত্যন্ত নোংরা মানষিকতার, তারা হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবা, ফেন্সিডিল সহ নানা রকম মাদকের ব্যবসার পাশাপাশি অনৈতিক ও অসামাজিক কাজের সাথে জড়িত, কেহ প্রতিবাদ করলেই তাকে নারী নির্যাতন মামলায় ফেলে জব্দ করবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে, তাদের অপরাধ আড়াল করতে এলাকার নীরিহ মানুষের নামে মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে। তাদের পরিবারের অনেকেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে জেল হাজতে গিয়ে আবার ফিরে এসে একই ব্যবসার করছে।
আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রসাশনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকষর্ণ করে জানাতে চাই তদন্ত পূর্বক ঐ সকল মাদক ব্যবসায়ী ও অসামাজিক কার্যকলাপের যথাযথ দৃষ্টান্ত শাস্তি কামনা করি। সাংবাদিক সম্মেলনে আল্লারদর্গা প্রেস ক্লাবের সাংবাকিব সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
























