
গড়াইনিউজ২৪.কম:: জাতীয় দলে তার অভিষেক সেই ২০০৮ সালে।এই আট বছরে ওয়ানডে খেলেছেন মাত্র ৫৯টি। অথচ খেলার কথা ছিল অন্তত ৮০ ম্যাচ। অভিষেকের পর থেকে জাতীয় দলে আসা যাওয়ার মধ্যেই ছিলেন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন সেই ২০১০ সালে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ক্রাইশ্চার্চে কঠিন কন্ডিশনে সেবার ১৩৮ করেছিলেন ১০১। এরপর থেকে জাতীয় দলে আসা যাওয়ার মধ্যেই ছিলেন তিনি।কিন্তু সেই ইমরুল কায়েসের সঙ্গে এখনকার ইমরুলের মিল খুঁজতে গেলে বড্ড ভুল হবে। ইমরুল অনেকটাই পাল্টে গেছেন। ফতুল্লায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচের পর শুক্রবার প্রথম ওয়ানডেতেও জ্বলে উঠছে তার ব্যাট। সেঞ্চুরি করেছেন এদিনও। ঠিক ৪৯ ম্যাচ পর এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন এ ওপেনার। এবং এটা ৬ বছর পর। অনেক সাধনার সেঞ্চুরিই বটে। এরআগে অবশ্য আরেকবার সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে গিয়েছিলেন ইমরুল। ২০১১ সালে এই মিরপুরেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করেছিলেন ৯৩। জাতীয় দলে অনিয়মিত হলেও এরআগের তিন ইনিংসের দুটিতেই হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি। গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলেছিলেন ৭৬ ও ৭৩ রানের দারুণ দুটি ইনিংস। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ৩৭ করেও পরের দুই ম্যাচে জায়গা হয়নি তার। সেঞ্চুরি করে তার মোক্ষম জবাব দিলেন ইমরুল কায়েস।

























