
গড়াইনিউজ২৪.কম:: লর্ডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে বুক ডন ও স্যালুটকে নিজেদের ‘ট্রেডমার্ক’ই করে রেখেছিল পাকিস্তান। কিন্তু সেই ট্রেডমার্ক সিরিজে আর প্রদর্শনের সুযোগ পেল কই! ওল্ড ট্রাফোর্ডে অসহায় আত্মসমর্পনের পর এবার এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় টেস্টেও হেরে গেল মিসবাহ-উল-হকের দল। টেস্টের শেষ দিনে আজ পাকিস্তানের জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ৩৪৩, হাতে সম্ভাব্য ৮৪ ওভার। এজবাস্টনে চতুর্থ ইনিংসে এই রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড নেই কোনো দলের। সর্বোচ্চ ২৮১ তাড়া করে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছিল ২০০৮ সালে। আসলে ২০০-এর বেশি রান তাড়া করে এখানে জেতার রেকর্ডই আছে মাত্র দুটি। জিততে হলে পাকিস্তানকে তাই নতুন রেকর্ড গড়তে হতো। মিসবাহ-উল-হকের দল সেটি পারেনি। অলআউট হয়ে গেছে ২০১ রানে। ১৪১ রানে ম্যাচ জিতে চার টেস্টের সিরিজেও ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড।
আগের দিনের ৫ উইকেটে ৪১৪ রানের সঙ্গে কাল সকালে আরও ৩১ রান যোগ করেই ইনিংস ঘোষণা করেন ইংলিশ অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক। মঈন আলী তাই অপরাজিত রয়ে যান দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৬ রানেই। পরে বল হাতে জয়ে অবদান রেখেছেন প্রায় সব ইংলিশ বোলারই। ৬ জন বোলার ব্যবহার করেছেন অ্যালিস্টার কুক, এর মধ্যে জো রুট ছাড়া ২ উইকেট করে পেয়েছেন বাকি সবাই। ওপেনার সামি আসলাম (৭০) ছাড়া পাকিস্তানের হয়ে বলার মতো রান করতে পারেননি আর কেউই।
বিশেষ করে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা তো ছিল চোখে পড়ার মতো। চার থেকে আট – মিডল অর্ডারের এই পাঁচ ব্যাটসম্যানের অবদান ছিল মাত্র ২১ রান। মাঝের সারির এই ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কারণেই শেষ জুটিতে সোহেল খান ও রাহাত আলীর লড়াই শুধু আক্ষেপই জাগাল পাকিস্তানের জন্য। দুজন মিলে শেষ জুটিতে ৫০ রান করেছিলেন, ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। কিন্তু সেটি শুধু পরাজয়ের আগে কিছুক্ষণ সময়ক্ষেপন হয়েই থাকল। ক্রিকইনফো।

























