কুষ্টিয়া বটতৈল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বাবুর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার!

0
705
কুষ্টিয়া বটতৈল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম বাবু। ছবি: গড়াইনিউজ।

কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তমূলক তথ্য ছড়িয়ে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও তার সুনাম ক্ষুন্ন করতে একটি কুচক্রীমহল মাঠে নেমেছে। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি হাসিলের উদ্দেশ্যে এমন কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে অনেকেই অভিযোগ করে বলেন। বটতৈল ইউনিয়নে আরিফুল ইসলাম বাবুর অনেক সুনাম রয়েছে। সে মাদক জুয়া ও অনৈতিক কোন কার্যক্রমের সাথে কখনোই জড়িত নাই। যারা জড়িত তারাই এমন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য যে, গত ২৮ জানুয়ারি বটতৈল নতুন পাড়ায় মনিরুল ইসলাম রাত ১১ টার সময় রাকিব হোসেনের অজান্তে তার বাসায় কুমতলোবে প্রবেশ করে। রাকিব বিষয়টি টের পেয়ে চোর সন্দেহে তাড়া করে। তাড়া করার একপর্যায়ে নিজামের মৎস্য হ্যাচারীর সামনে চলে আসে মনিরুল ইসলাম। ওই সময় রাকিবের ভাতিজা রুদ্র কুষ্টিয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাসায় ফিরছিল। তখন রাকিব রুদ্রকে মোটরসাইকেল থামাতে বলে এবং বলে চোর পালিয়ে যাচ্ছে। তখন দুইজন একত্রিত হয়ে চোর সন্ধেহে মনিরকে ধরতে গেলে মনিরের লোকজন নিজামের মৎস্য হ্যাচারির সামনে ওত পেতে থাকে। সেখানেই মনিরুল ইসলাম ওরফে মনিরুল ড্রাইভার এর নেতৃত্বে রাকিব ও তার ভাতিজার উপর হামলা করে। হামলা করার সময় রুদ্রের কাছে থাকা নগদ অর্থ মোবাইল ফোন ও হেলমেট কেরে নেই। সেই সাথে তাদেরকে ব্যাপক মারপিট করে এবং জানে মেরে দেওয়ার হুমকি দেয়। মারামারির একপর্যায়ে এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে যায়। তখন মনিরুল ও তার গুন্ডাবাহিনী রাকিব ও তার ভাতিজাকে রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে এসে অভিযোগ দায়ের করে। অথচ মূল ঘটনাকে আড়াল করতে এমন ঘটনার জন্ম দিয়েছে একটি কুচক্রীমহল। এই ঘটনায় বটতৈল ইউনিয়নের সাধারন মানুষের সাথে কথা হলে তারা বলেন, যুবলীগ সভাপতি আরিফুল ইসলাম বাবুকে নিয়ে যে মিথ্যা ভিত্তীহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে সেই বিষয়ে আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সে একজন ক্লিন ইমেজের রাজনীতি করে। সে ডাকাত ছিনতায় ও মাদকের বিষয়ে সব সময় জিরো টলারেন্স। বরংচ উল্টো তারাই ছিনতাই করেছে যারা মিথ্যাচার করছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু ব্যক্তি বলেন মনিরুল ইসলাম ড্রাইভারের চারিত্রিক সমস্যা রয়েছে হয়তোবা কারো সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক আছে। যার ফলে সে এত রাতে নিজের বাসাতে না থেকে সেখানে গিয়েছিল কেন? ওখানকার জনতা ভেবেছে সে চুরি করতে এসেছে। কারণ বর্তমানে কুষ্টিয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলে হঠাৎ করে চুরির উৎপাত বেড়েছে। আবার অনেকে বলছেন মনিরুল চোর সিন্ডিকেটের হতাও হতে পারে। আবার অনৈতিক সম্পর্ক কারো সাথে থাকতে পারে। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান স্থানীয়রা। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় রাকিব হোসেন বাদী হয়ে আসামী ১. মৃত সাহেব আলির পুত্র মনিরুল ইসলাম ২. রাশেদুল ইসলামের পুত্র সুজন ওরফে (শিকদার) সহ আরো ৭-৮ জনকে আসামি করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় রাকিব হোসেনকে মনিরুল ইসলামের লোকজন ব্যাপক মারপিট করে সেই সাথে রাকিব হোসেনের ভাতিজা রুদ্রর কাছে থাকা ব্যবসায়ীক নগদ ৪০ হাজার ৬০০ টাকা, মোবাইল ফোন ও হেলমেট কেড়ে নেয় মনিরুল ও তার গুন্ডাবাহিনী। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।