ভোটকক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে গোপনীয়তা নষ্ট হয়নি : ইসি

0
465
নির্বাচন কমিশন। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: সিসি ক্যামেরা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটকক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে ভোটের গোপনীয়তা নষ্ট হয়নি বলে দাবি করেছে সাংবিধানিক সংস্থাটি। আজ রোববার ইসির যুগ্মসচিব এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোটকক্ষের গোপন বুথে সিসি ক্যামেরা স্থাপন নিয়ে কারও কারও বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। প্রচারিত বক্তব্য মতে, ভোটকক্ষের গোপন বুথে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে কে কাকে ভোট দিচ্ছে তা দেখা মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন। গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ইসি সেই কাজটি করে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ করেছে। এ ধরনের বক্তব্য মোটেও সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রকৃত বিষয় হলো গাইবান্ধা-৫ শূন্য আসনের উপনির্বাচনে ভোটকক্ষে ভোট দেওয়ার সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য ইসি ভোটকক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছিল। গোপন কক্ষে ভোটার কাকে ভোট দিলেন তা দেখার কোনো সুযোগ নেই। তবে গোপনকক্ষে ভোটারের সঙ্গে কেউ প্রবেশ করল কি না বা ভোটার ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করল কি না, একইসঙ্গে একাধিক ব্যক্তি প্রবেশ করল কি না, ভোট প্রদানের সময় কেউ উঁকি দিয়ে দেখে কি না বা পাশে দাঁড়িয়ে কোনো নির্দেশ প্রদান করল কি না তা দেখা যায়।

একজন ভোটারকে ভোট প্রদানের জন্য গোপনকক্ষে প্রবেশের পূর্বেই সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা ডামি ব্যালট ইউনিটে দেখিয়ে দেন কীভাবে ভোট দিতে হবে। কাজেই ভোট কীভাবে দিতে হবে এটা দেখানোর জন্য ভোটারের সঙ্গে গোপনকক্ষে অন্য কারও প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

ইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৩১(৭) ধারা অনুযায়ী ভোটার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বা অন্যভাবে এরূপ অক্ষম হন যে তিনি কোনো সঙ্গীর সাহায্য ছাড়া ভোট প্রদান করতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসার ওই ভোটারের পছন্দমতো ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে তার ভোটপ্রদানে সাহায্য করার জন্য গোপন কক্ষে নিতে পারবেন। তার সঙ্গে কোনোভাবেই কোনো ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তা, এজেন্ট বা অন্য কেউ গোপন কক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। গত ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন সিসি ক্যামেরা দিয়ে ঢাকা থেকে পর্যবেক্ষণ করে ইসি। পরে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে সেই নির্বাচন স্থগিত করা হয়।