কুষ্টিয়া দৌলতপুরে বন্যার পানি ২ সে.মি. কমলেও কমেনি জনদূর্ভোগ!

0
1754

কুষ্টিয়া অফিস:: কুষ্টিয়া দৌলতপুরে বন্যার পানি ২ সে.মি. কমলেও কমেনি জনদূর্ভোগ! ফারাক্কা ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়া ১০৪টি কপাটের বিরূপ প্রভাবের ফলে উজান থেকে নেমে আসা পানি পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে দৌলতপুরে দু’টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়। শনিবার থেকে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলেও গত ২৪ ঘন্টায় বন্যার পানি ২ সেন্টিমিটার কমেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের ৩৪টি গ্রাম এখনও পানিবন্দী অবস্থায় থাকায় কমেনি তাদের দূর্ভোগ। দূর্ভোগের মধ্যে রয়েছে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নে ১৯টি গ্রামের মধ্যে ১৮টি এবং চিলমারী ইউনিয়নে ১৬টি গ্রামের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। জনর্দূভোগের পাশাপাশি গবাদি পশুর খাদ্য নিয়েও চরম বিপাকে পড়েছে বানভাসীরা। বানভাসীদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হলেও চারদিক জলমগ্ন থাকায় গবাদি পশুর খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে চরমে। সেই সাথে সংকট দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানিরও। তবে বন্যাকবলিত দুই ইউনিয়নের জন্য প্রতি টিমে ৪জন সদস্য করে ৪টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। তারা নিজ নিজ এলাকায় কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মসিউল ইসলাম। এদিকে বন্যা কবলিত রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী বন্যার্তদের মাঝে সরকারীভাবে ২৩ মেট্রিক টন চাল ত্রান সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন, দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তৌফিকুর রহমান। আরও ত্রান প্রদান করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আকস্মিক বন্যার কারনে রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের ৩৪টি গ্রামের ১১ হাজার পরিবারের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। সেই সাথে বন্ধ রয়েছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বন্যার কারনে সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে চরম আতংক বিরাজ করছে। সাপের কামড়ের শিকার হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে অন্তত ৬জন।