কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসের হিসাব রক্ষক আব্দুল কুদ্দুসের দূর্নীতির শেষ কোথায়?

0
704

কুষ্টিয়া অফিস ॥ কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসের হিসাব রক্ষক মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের দূর্নীতির শেষ কোথায়? এ কথাটি নিয়ে কুষ্টিয়ার সচেতন মহলের মধ্যে তুমুল ঝড় বইছে। কথায় একটি প্রবাদ বাক্য আছে শষ্য ক্ষেতে ভূত থাকলে ভূত তাড়াবে কে? তথ্য সূত্রে জানা যায়, সিভিল সার্জন অফিসের হিসাব রক্ষক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ওয়ান ইলেভেনের পর থেকে বহাল তবিয়তে এই চেয়ারে বসে দিনের পর দিন দূর্নীতি করে চলেছে যেন দেখার কেউ নেই! কারন যেই দেখুক না কেন, তাকে ম্যানেজ করার ক্ষমতা হিসাব রক্ষক মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের আছে বলে জানা যায়। তথ্য সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতি অর্থ বছর প্রতি সরকারী দফতরের মতো কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসেও একটি বাজেট আসে, কিন্তু বহাল তবিয়তে হিসাব রক্ষক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস যত দিন চেয়ারে বসে আছেন ততদিন অফিসের কোন কাজ হয়না, কিন্তু প্রতি অর্থ বছরের সক কাজের সাথে সিভিল সার্জন অফিস এর আশে পাশে পরিস্কার এবং আনুসাঙ্গিক জিনিষপত্র ক্রয় করার জন্য একটি বিল পাশ হয়, তবে এসব কোন কাজ হয়না কিন্তু বিল ঠিকই হয়। কিন্তু কিভাবে?? এ বিষয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি এই বিষয়ে কথা বলতে নারাজ। বর্তমানে সচেতন মহলের ধারনা উক্ত সিভিল সার্জন অফিসের হিসাব রক্ষক মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের দূর্নীতি উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ কেন দেখেন না? বা দেখেও না দেখার ভান করেন। নতুবা এই দুর্নীতিবাজ হিসাব রক্ষক মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের অতিরিক্ত উৎকোচের টাকা থেকে উপর মহল ভাগ পাই এ ছাড়া এই দুর্নীতিবাজ মুস্তাকের এত বড় সাহস হয় কেমন করে, যে সরকারী নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে প্রতি অর্থ বছরে তার মনগড়া ভাবে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার টাকার বিল করে অবৈধ ভাবে গ্রহণ করে চলেছে। তাই কুষ্টিয়া সচেতন মহলের মুখে মুখে শষ্য খেতে ভুত থাকলে ভুত তাড়ানোর কেউ নাই। তাই বিষয়টি সিভিল সার্জন মহোদয় যদি একটু তার দিকে দৃষ্টি দেন তাহলে হিসাব রক্ষক মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের দূর্নীতি ধরা পড়বে।  

একটি উত্তর ত্যাগ