
নিজের ছায়া কে ঢাকবার মত ক্ষমতা কারো নেই, ঠিক আবার এই মানুষের মাঝে আছে নিজের ছায়া কে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি করার মত শক্তি। মানুষ নিজেকে না চিনলে অন্য কে চেনা তো দুরে থাক, অন্য কে চেনার কৌশল টাও খুজে পাবে না। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ার বুকে অনেক কৃতি সন্তানদের জন্ম, যারা অতীতে এবং বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ে অবদান রেখে চলেছেন। তেমনই একজন কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান, যার নাম সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব। যে মানুষ টি পেশায় সাংবাদিক হলেও, দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন একটা সুন্দর সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে। শুধু সাংবাদিকতায় না, নিজের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে বর্তমান তরুন প্রজন্ম এর কাছে কুষ্টিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি লিখেছেন (কুষ্টিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস) নামক বই, যা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে কুষ্টিয়ার মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস। তিনি সমাজের পিছিয়ে পড়া অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তার নিজের জায়গা থেকে, তিনি অস্বচ্ছল সাংবাদিকদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন যখন যে ভাবে পেরেছেন বা সম্ভব হয়েছে। রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব কাজ করে যাচ্ছেন দুর্নীতি মুক্ত জেলা কুষ্টিয়া গড়ার জন্যে। তিনি তার সাংবাদিকতার কলম এর মাধ্যমে, সাহসীকতার সাথে সমাজের মানুষের কাছে তুলে ধরছেন দুর্নীতির চিত্র। যা তার সাহসী সাংবাদিকতার পরিচয় দিচ্ছে, তিনি অসহায় পথশিশুদের নিয়ে কাজ করা কুষ্টিয়ার সুনামধন্য সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী ও জয় বাংলা লিডারশীপ এ্যাওর্য়াড ২০১৯ প্রাপ্ত সংগঠন ( প্রত্যয় যুব সংঘ,কুষ্টিয়া) এর উপদেষ্টা পরিষদের সম্মানিত সদস্য হিসেবে কাজ করছেন পথশিশুদের জন্য। পাশাপাশি তিনি কুষ্টিয়ার সাংবাদিকদের জন্যে কাজ করে যাচ্ছেন নিরলস ভাবে, আর তাই তো তিনি কুষ্টিয়ার সাংবাদিকদের কাছে হয়ে উঠেছেন প্রিয় ব্যাক্তিত্ব, প্রিয় নেতা, প্রিয় সাংবাদিক হিসেবে। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌছে দিচ্ছেন নিরলস ভাবে তার কলমের মাধ্যমে। তার এই অসামান্য অবদানের জন্য, তিনি রাস্তার পাশে নয়, দেয়ালের গায়ে নয়, নেমপ্লেট এর পাতায় নয়, তার নাম আজকে কুষ্টিয়ার সর্ব শ্রেণীর মানুষের মনের মাঝে গাঁথা। সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব এর এমন অসাধারন কাজের জন্য, কুষ্টিয়া সহ দেশ বিদেশের বিভিন্ন সংগঠনে তার নামের ছোঁয়া পাওয়া যায়। তার সহর্ধমিনী আফরোজা আক্তার ডিউ, সে নিজেও একজন সমাজসেবিকা, তিনিও কুষ্টিয়ার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠন এর সাথে জড়িত। দুজনই মিলেই কাজ করে যাচ্ছেন, সুন্দর একটা সমাজ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে। নিরঅহংকারী মানুষ সাংবাদিক রাশেদুল বিপ্লব ও আফরোজা আাক্তার ডিউ তারা দুজনই অত্যান্ত ভালো মনের মানুষ হিসেবে এই কুষ্টিয়ার শহরে সুপরিচিত লাভ করেছে, যা তাদের জীবনে অনেক বড় পাওয়া বলে আমি মনে করি। সাংবাদিক বাবা নাহারুল ইসলাম এর কাছ থেকেই কৈশোরে গনতন্ত্র ও প্রগতি চর্চাও যে তালিম আতস্থ করেন তা ক্যালেন্ডারের সাথে সাথে বদলে রুপ নেই এক অগ্রণী সচেতন ও মানবিকতার মডেল হিসেবে। সেই কারনে রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব কুষ্টিয়ার কলকাকলী স্কুলে ও জেলা স্কুলে পড়াকালীনই রাজনৈতিক সচেতন হয়ে ওঠেন এবং তারই ফলশ্রæতিতে তার নিবির ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ঘটে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করে কিশোর বয়সেই সহপাঠীদের নিয়ে শুরু করেন বঙ্গবন্ধু কিশোর সংসদ। এরপর কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে পড়ার সময় অশুভ শক্তির রোষানলে পড়ে উঠতি যুবক বয়সেই তাকে কারাবরন করতে হয়। সেই দিনগুলির পরে তিনি হয়ে ওঠেন আরো সাহসী ও সত্যিকারের বিপ্লবী । আর তখনি তার মাথায় চেপে বসে কলমযুদ্ধের নেশা, তখন থেকেই নিজেকে একজন সফল সাংবাদিক হিসেবে তৈরি করার প্রত্যয়ে রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব চলে যান প্রতিবেশি দেশ ভারতের কলকাতায়। সেখানে অবস্থিত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ধীন নেতাজীনগর কলেজে ভারতের প্রখ্যাত সাংবাদিক ডঃ সৌমেন্দ্রনাথ বেরার তত্বাবধানে জার্নালিজমে অধ্যয়ন করেন । সে সময় তার জীবনে অনেক জ্ঞানী গুণীর মানুষের সানিধ্য পেয়েছেন, তার মধ্যে ভারতের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরবর্তী ভারত এর রাষ্ট্রপ্রতি প্রনব মুখার্জী, ডাঃ শান্তিময় রায়, ডাঃ অমলেন্দু দে, রনেশ দাসগুপ্ত, বিপ্লব হালিম, সুনিল গঙ্গোপাধ্যয়, ইলা মিত্র, বিনয় মজুমদার, জয় গোস্বামী, পবিত্র সরকার, সহ আরো অনেকে। এক সময়য়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা এনামুল হক শামীম, ইসাহক খান পান্না, ও রফিকুল ইসলাম এর নেতৃতে রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব কোলকাতা বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি একাত্তর নিউজ ২৪ডটকম, দৈনিক আরশীনগর, ইংরেজী দৈনিক ডেইলি অথেনটিক ও দৈনিক পদ্মা গড়াই পত্রিকার সম্পাদক । জাতীয় সাপ্তাহিক ছুটি, ও দি উইকলি হেরাল্ড এর প্রধান সম্পাদক। ভারত এর জাতীয় বাংলা দৈনিক কালান্তর পত্রিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধির দায়িত্ব করে যাচ্ছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১. নতুন প্রজন্মের রিদয়ে শেখ হাসিনা (১৯৯৫) ২. জননেত্রী ফিরে আসবেই (২০০৭) ৩. জেল থেকে জেলে (২০০৮ ) ৪. সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ( সম্পাদিত ২০১৩) ৫. আন্তর্জাতিক মানবতার দিকপাল জাস্টিস ড. রাধা বিনোদ পাল (সম্পাদিত ২০১৪ ) ৬. কারাপরিদর্শকের কারাবাস (২০১৪ ) ৭. কুষ্টিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ( প্রথম খন্ড ২০১৪ ) ৮. কুষ্টিয়ার সংবাদ পত্রের ইতিহাস (২০১৬ ) ৯. বিশ্বসভায় মাদার অব হিউম্যানিটি শেখ হাসিনা (২০১৮) সহ অসংখ্য গ্রন্থ এর প্রনেতা রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ রুর্যাল জার্নালিস্ট সোসাইটি-বিআরজেএস এর কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান, বিবর্তন পরিচালক, কুষ্টিয়া সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সভাপতি, কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসির সভাপতি সহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনরে সাথে তিনি জড়িত ।
লেখকঃ এস.এম সুমন , সভাপতি প্রত্যয় যুব সংঘ কুষ্টিয়া ও প্রোগ্রামিং ডিরেক্টর ,বাংলাদেশি জট্টিল অনলাইন এফএম রেডিও ।

























