তামিম ও জিয়াকে ধরতে ২০ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা: আইজিপি

0
786

গড়াইনিউজ২৪: গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারী, শোলাকিয়ায় ঈদ জামাত ও কল্যানপুরে জঙ্গি হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তামিম আহমেদ চৌধুরী ও সৈয়দ মোঃ জিয়াউল হককে ধরতে ২০ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। আজ ২আগস্ট মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টায় পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক এ পুরস্কার ঘোষণা করেন। আইজিপি বলেন- গুলশান হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের একজন হিসেবে তামিম চৌধুরীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তামিমের পুরো নাম তামিম আহমেদ চৌধুরী। তার বাড়ি সিলেটের বিয়ানিবাজার থানার দোবাক ইউনিয়নের বড়গ্রাম সাদিমাপুরে।অন্যদিকে জিয়ার পুরো নাম সৈয়দ মো. জিয়াউল হক।তার বাড়ি মৌলভীবাজারের মোস্তফাপুর গ্রামে।
সাম্প্রতিক জঙ্গি সন্ত্রাসী হামলা মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশের উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন- আমাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্ ব্যবহার করে জীবনবাজি রেখে আমরা জঙ্গি এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কাজ করছি। অথচ একটি স্বার্থন্বেষী মহল অসৎ উদ্দেশ্যে পুলিশের অর্জনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি মনে করি, দেশের সম্মানিত জনগণ জঙ্গি দমনে পুলিশের পেশাদারমূলক ভূমিকায় আশ্বস্ত হয়েছেন। পুলিশের প্রতি তারা আস্থাশীল। তারা পুলিশের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি হয়েছে।

আইজিপি আরোও বলেন-সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় জড়িতদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যাদি যাচাই-বাছাই করে একটি বিষয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে যে, এ সকল জঙ্গি আসলে ‘হোম গ্রোন’ জঙ্গি। এদের অনেকেই আগে থেকে পুলিশের ওয়ান্টেড। মূলতঃ এরা জেএমবির সদস্য। এদের জেএমবি সংশ্লিষ্টতার অনেক নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রমাণ আমরা ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছি।আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে সক্রিয় জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। ঘটে যাওয়া ঘটনাসমূহ উদঘাটনের পাশাপাশি পুলিশের নিজস্ব ইনটেলিজেন্স এর ভিত্তিতে কিছু সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। তাদের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে আমরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছি। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের চৌকষ কর্মকর্তারা কাজ করছেন। পুলিশ ছাড়াও অন্যান্য সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থার সাথে আমাদের নিবিড় সমন্বয় রয়েছে।

সম্মানিত নাগরিকগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে আইজিপি বলেন- আপনারা কোন গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না। আপনারা বাংলাদেশ পুলিশকে সহায়তা করুন। জঙ্গিবাদ ও সস্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করুন। জঙ্গিদের স্পষ্ট করে বোঝানো দরকার বাংলাদেশের মানুষ তাদের কর্মকান্ডকে তীব্রভাবে ঘৃণা করে।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বিপিএম, পিপিএম সহ বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন

একটি উত্তর ত্যাগ