
কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: কুষ্টিয়া বারখাদা ত্রিমহোনী এক অপ্রতিরো দ্ধ নাম রওশন ড্রাইভার। এলাকাতে তাকে পয়জন রওশন হিসেবে চেনেন। পূর্বে আর্থিক অস্বচ্ছলতা থাকলেও বর্তমানে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ তার। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সরকার কর্তৃক যখন মানুষের ঘরে থাকার নির্দেশ তখন এই সুযোগকে পুঁজি করে পুকুর খননের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। সুত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব গোবিন্দপুরে প্রায় ২০ বিঘা জায়গার উপর পুকুর খননে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ট্রলি, এক্সেবেটরসহ প্রতিদিন প্রায় ৪০-৫০ জন লোক বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে যেখানে পুকর খননের কাজে ব্যবহার করছে। সুত্রে আরও জানা যায়, এই বিষয়টি নিয়ে এলকাবাসী যাতে কোন প্রকার জটিলতা সৃষ্টি না করে তার জন্য কিছু ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে বেশ কিছু ধরে খনন কাজ চালিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় একজন রিক্সাচালক থেকে হটাৎ করে এমন অর্থের প্রাচুর্য কিভাবে তৈরি হলো তা নিয়ে এলাকাবাসীর মনে চলে নানা রকম প্রশ্ন। তার অর্থের প্রাচুর্য সম্পর্কে বিস্তারিত আগামী পর্বে তুলে ধরা হবে। এই পুকুর খননের কাজে বিভিন্ন জেলার থেকে লোক ভাড়া করে নিয়ে আশার কারনে এলাকার মধ্যে এক আতংক বিরাজ করছে। কেউ কিছু বললে তাদের উপর চড়াও হঠে উঠছে। বিষয়টি মিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হলে সাময়িক ভাবে বন্ধ থাকছে। পরবর্তীতে পুলিশ সরে গেলে পুনরায় খনন কাজ চালু করছে বলে জানা গেছে। দিনে তেমন কোন সুবিধা অর্জন করতে না পারলেও রাতে তা পুষিয়ে নিচ্ছে। তাই এলাকাবসীর দাবি যে এই অপ্রতিরুদ্ধ রওশন কে থামিয়ে দিয়ে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে এলাকার মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করনের জোড় দাবি জানিয়েছেন।

























