
গড়াইনিউজ২৪: বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কেএম শামসুল আলম এ দিন ধার্য করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে বিচারক রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেন, মামলার বিচারকার্য চলাকালে ২৫ জন সাক্ষির মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, সাকার আইনজীবী ব্যারিস্টার একেএম ফখরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অফিস সহকারী ফারুক আহমেদ, অস্থায়ী কর্মচারী নয়ন আলী, ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামের সহকারী আইনজীবী মেহেদী হাসান ও ম্যানেজার একেএম মাহাবুবুল আহসান। এছাড়া বৃহস্পতিবার জামিনে থাকা আসামি ব্যারিস্টার একেএম ফখরুল ইসলাম, মাহবুবুল আহসান, ফারুক আহমেদ ও নয়ন আলীর জামিন বাতিল করে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অপরদিকে সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীর জামিন বহাল রাখা হয়েছে। এদিকে বৃহস্পতিবার ঢাকার আদালত পাড়া থেকে সাকা চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি একই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার দিন সকালেই তার স্ত্রী, পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ আনেন। ওই দিন তারা রায়ের ‘খসড়া কপি’ মিডিয়া কর্মীদের দেখান। তখন তারা আদালতের রায় নিয়ে কটাক্ষও করেন। রায় ঘোষণার পরদিন ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন নিবন্ধক (রেজিস্ট্রার) একেএম নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় একটি জিডি করেন। পরে ৪ অক্টোবর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান শাহবাগ থানায় মামলা করেন। পরের বছরের ২৮ আগস্ট ডিবির পরিদর্শক মো. শাহজাহান এ মামলায় ঢাকার সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

























