
সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি, গড়াইনিউজ২৪.কম:: নরসিংদী শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নে ৯নং ওয়ার্ড (১নং ইউনিট) ভরতের কান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও ইউ.পি সদস্য হাজী মোঃ আমির হোসেন ভূইয়া, পিতামৃত-অনু মিস্ত্রী ওরফে কাঠ মিস্ত্রী। তাদের নিজ বাড়ী ছিল পুটিয়া ইউনিয়নের সালুরদিয়া গ্রামে এবং এই গ্রামই হচ্ছে তার পৈত্রিক গ্রাম। ইউ.পি সদস্য’র বাবা সালুরদিয়া গ্রাম থেকে বেরিয়ে আসার মূল্য উদ্দেশ্যে হল বিভিন্ন ধরণের অপকর্ম ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ায় এক পর্যায়ে গ্রামবাসী এ সমস্ত ঘটনা জেনে তাকে সতর্ক করলে এই অপকর্ম ও অনৈতিক কাজ থেকে বেরিয়ে আসলে না পারায় গ্রামগন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রাম থেকে বাহির করে দেয়। গ্রামবাসী জানায় সালুরদিয়া গ্রাম থেকে আমির হোসেন ভূইয়া’র বাবাকে বের করে দেওয়ার পর পরিবার-পরিজন নিয়ে ভরতেরকান্দি গ্রামে এসে সোনা মিয়া নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এখানে আশ্রয় পেলে আমিন হোসেন ভূইয়া ধীরে ধীরে বড় হয়ে এস.এস.সি পাস করার পর থেকে শুরু করল কাঠের ফার্ণিচারের ব্যবসা এবং পাশাপাশি করত ভূমি দস্যুতা। এ ভূমি দস্যুতার কাজকে পুজি করে বিভিন্ন গ্রামের মানুষকে প্রলোভন দিয়ে রক্ত চুষনের টাকা আত্মসাৎ করে এক গোপন সূত্রে জানা যায়। সে ভূমি দস্যুকে কেন্দ্র করে নরসিংদী সাব রেজিষ্ট্রির অধিনে লাইসেন্স প্রাপ্ত হইয়া দলিল লেখক পরিচিত হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায় যে, ভরতেরকান্দি গ্রামে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে ৯ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে হজ্ব করতে যায় বলে এলাকাবাসী জানায়। এ ভূমি দস্যুর ভয়ে জিম্মি হয়ে মুখ খুলতে অনিহা প্রকাশ করে গ্রামের সাধারণ জনগন। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে গণমাধ্যমে কর্মীরা গেলে নাম প্রকাশ করা এক ব্যক্তি বলেন হাজী আমির হোসেন ভূইয়া ভূমি দস্যুর গোপনত্ব তথ্য বেড়িয়ে আসে। তিনি ইউ.পি নির্বাচিত না হওয়ার আগেই ডাকাতির সাথে যুক্ত ছিল। তার অধিনে ডাকাত বাহিনীও একাধিক ছিল। ইউ.পি সদস্য নির্বাচিত না হওয়ায় ৬-৭ মাসে আগে আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে ধরা পড়ে কিছু অর্থ দিয়ে মুক্তি পায়। ইউ.পি সদস্য হওয়ার পিছনে কালো টাকা ছড়িয়ে তার ডাকাত সঙ্গীদেরকে নিয়ে নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন। ইউ.পি সদস্য হয়ে শুরু করল ব্যকুল দূর্নীতি। সরকার যখন “হত দরিদ্র কর্মসূচী” দেয় এ কর্মসূচী কুখ্যাত ভূমি দস্যু পুজি করে এবং এলাকার নিরীহ মানুষকে বোকা বানিয়ে তিনটি রাস্তায় মাটি ভরাট করার সময় ভরতেরকান্দি উত্তর পাড়া কিছমত আলীর বাড়ির কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা, খোরশেদ কন্ট্রাটারের বাড়ীর সামনে সখিনার বাড়ির কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা, ভরতেরকান্দি দক্ষিণ পাড়া থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে বলে গোপন জানা যায়। এভাবেই দিন দিন কুখ্যাত ভূমি নিজের নামের টাইটেল লাগাতে ও নিজের গোপনত্ব ঢাকা দিতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পটুকল ব্যবহার করে আসছে। ভূমি দস্যু হঠাৎই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। এই ইউ.পি সদস্য বর্তমানে সরকারের ভাবমুর্তি, সুনাম-খ্যাতি বিভিন্ন ভাবে নষ্ট করছে বলে গ্রামবাসী জানায়।

























