
কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: কালীগঙ্গা নদীর উৎসমুখ দখলে নিতে ব্যাস্ত কুষ্টিয়া পূর্ব মিলপাড়া এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি। হারিয়ে যেতে বসেছে কালীগঙ্গা নদীর যৌবন। যে নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায় বাউল সম্রাট লালন শাহকে। সেই কালিগঙ্গা নদী দেখে কেউ বিশ্বাস করবে না যে এটা কোন নদী। নদীর কিছু অংশ বাদ দিয়ে জলাধার বানানো হয়েছে। নদীপথ ভরাট করে রেল লাইন ও ঢাকা-কুষ্টিয়া মহাসড়ক চলে গেছে। এখন নদীর উৎসমুখ ভরাট করে বসত বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হয়েছে। এই দখলকে কেন্দ্র করে ঘটতে পারে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এমনটাই জানিয়েছেন এলাকার মানুষ। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুষ্টিয়া শহরের পূর্ব মিলপাড়া মহা-শ্মশান এর পাশে গড়াই নদীর থেকে কালীগঙ্গা নদীর উৎসমুখে বালি ভরাট করে দখল চলছে। ইতিপূর্বেও সেখানে অনেকেই দখল করে বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে। এলাকার প্রভাবশালী একসময়কার নামকরা সন্ত্রাসী বিল্লালের ভাই হেলাল জিকের বেরিবাঁধে গা ঘেঁষে কালিগঙ্গা নদী উৎসমুখ বালি ফেলে ভরাট করছে। গত বছর এপ্রিল মাসে এই নিয়ে একবার আরেক দখলদার ইমরান হোসেনের স্ত্রী শেফালী খাতুনের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এটা নিয়ে থানায় বসাবসিও হয় বলে শেফালী খাতুন জানান। শেফালী খাতুনের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তিনি অভিযোগ দায়ের করার আগে প্রায় এক বছর ধরে জিকের ঐ জায়গার খড়ির আরত করে দখলে নিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে। হঠাৎ হেলাল হোসেন দাবি করেন সেই জায়গা তার দখলে ছিল। এখন সেখানে ব্যবসা করতে হলে ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে। তখন শেফালী ৫হাজার টাকা দিয়ে বায়না করে। তবে শেফালী খাতুনকে তার জায়গা বুঝিয়ে না দিলে টাকা ফেরৎ চাই। এই নিয়ে শেফালী খাতুন ও তার পরিবারকে হুমকি দেয় হেলাল। শেফালী খাতুন জানান, গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে হঠাৎ হেলাল ড্রাম ট্রাকে করে বালি এনে জিকের ওই জায়গা ভরাট শুরু করে। এভাবে ভরাট করলে এলাকার পানি নিষ্কাশনের কোন পথ থাকবে না। এদিকে দখলের বিষয়ে জানতে হেলালের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেনি।

























