
কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম:: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যায় সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সরাসরি জড়িত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার মামলাও করতে দেননি তিনি। এই হত্যাকান্ডের বিচার না করে হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিলেন, পূর্নবাসন করেছেন। নেপথ্যে চক্রান্তকারী হিসেবেও জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
আজ বৃহষ্পতিবার ১৮ই আগস্ট বিকেলে কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরীর মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর জিয়া ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) আইন করে খুনিদের রক্ষা করেছিলেন।
খুনিরা যাতে জিয়ার নাম না বলে এজন্যই তাদের ইনডেমনিটি দিয়েছিলেন জিয়া। জিয়া যদি হত্যাকান্ডে জড়িত না থাকেন, তাহলে তিনি খুনিদের বিচার কেন করেননি। তাদের বিচার করতে তার কি সমস্যা ছিল। এইসব প্রমাণ করে জিয়া সরাসরি বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিলেন। জিয়া পাকিস্থানি এজেন্ট ছিলেন।
তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বারবার তারা হত্যা চেষ্টা করেছেন। খুনি ও দন্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান বিদেশে পলাতক রয়েছেন। সেখান থেকে সে বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলে। মিথ্যাচার ছাড়া তাদের কিছু জানা নেই, মিথ্যাচার ছাড়া তাদের কিছু দেওয়ার নেই। বিএনপি মিথ্যাচারের রাজনীতি করে।
কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় কুষ্টিয়া ৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা সহ কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ এর নেতা কর্মী ও অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আতিকুর জামান ছন্দ
কুষ্টিয়া অফিস: রহমান টাওয়ার (বি-৩), পুরাতন আলফার মোড়, দাদাপুর সড়ক, কুষ্টিয়া।
ঢাকা অফিস - ৫০/১ হাবিব সেন্টার (৯ম তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
মোবাইলঃ + ৮৮ ০১৭১৪-৫৪৬৬৭৩