পুলিশ বক্সের পাশে বোমা:ঢাকা

0
273

গড়াই নিউজ ২৪.কম:: রাজধানী ঢাকার পল্টন মোড় ও খামারবাড়ি এলাকা থেকে বোমা উদ্ধারের পর তা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। তবে কারা ওই দুই জায়গায় বোমা রেখেছিল তা জানা সম্ভব হয়নি।গত মঙ্গলবার (২৪জুলাই) গভীর রাতে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসে পুলিশকে লক্ষ্য করে দুটি বোমা হামলার ঘটনা ঘটে, যেগুলোর তদন্ত করছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। এর মধ্যে ৩০ এপ্রিল গুলিস্তানে ট্রাফিক পুলিশকে লক্ষ্য করে হাতবোমা ছোড়া হয়। দুই ট্রাফিক পুলিশ এবং কমিউনিটি পুলিশের এক সদস্য ওই ঘটনায় আহত হন। আর ২৬ মে রাতে মালিবাগে এসবি অফিসের সামনে এসবির একটি পিকআপে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। হঠাৎ ওই বিস্ফোরণে ট্রাফিক পুলিশের এএসআই রাশেদা আক্তার (২৮) এবং রাস্তায় থাকা রিকশাচালক লাল মিয়া (৫০) আহত হন। দুই ঘটনাতেই জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের নামে দায় স্বীকারের বার্তা দেয়া হয়। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে আইএসের দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলা হয়, এদেশের কেউ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে।শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে পল্টন মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে একটি কার্টনে বোমা সাদৃশ বস্তু দেখা যায়। এরপর পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তা উদ্ধার করে। গভীর রাতে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ ছাড়া তেজগাঁও থানা পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার পর খামারবাড়িতে বোমা সাদৃশ বস্তু দেখতে পায় মেট্রোরেল প্রকল্পের কর্মীরা। এরপর পুলিশে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে খামারবাড়ি চত্বরসহ আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এরপর ডিএমপির বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট গিয়ে বোমা উদ্ধার করে। রাত ৩টার দিকে তারা বিস্ফোরণের মাধ্যমে তা নিষ্ক্রিয় করে। ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার প্রলয় কুমার জোয়ারদার বলেন, ‘জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য এ কাজ কেউ করতে পারে। তদন্ত করে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।’ তবে অ্যাপারেন্টরি মনে হচ্ছে, এটা তো কোনা ভালো লোকের কাজ না, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই এটা করা হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ