নারীদের পোশাকের সাইজ বড়ই বিদঘুটে, প্রমাণিত

0
626

গড়াইনিউজ২৪: নারীদের পোশাকের আকার-আকৃতিগুলো বেশ অদ্ভুত ও বিদঘুটে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নির্মাতাদের পোশাকের মাপ নির্ধারণেও যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। নারীদের একটি ব্র্যান্ডের ২ নম্বর পোশক গায়ে ফিট হলে অন্য ব্র্যান্ডের হয়তো একই সাইজ নির্দেশনায় ব্যবহৃত হয়েছে ৬ নম্বর। এ বছরের জুনে অ্যাপরেল ব্র্যান্ড ‘এইচঅ্যান্ডএম’-এ একটি চিঠি লিখেছেন এক নারী। এই চিঠিটা ভাইরাল হয়ে গেছে ইন্টারনেটে। তার অভিযোগ হলো, একটি মিডিয়াম সাইজের শার্ট তার দেহে দারুণ ফিট করে। কিন্তু ১৬ নম্বরের জিন্সেও কেন তিনি ফিট হতে পারেন না? সম্প্রতি এক প্রতিবেদক একই মাপের তিন জোড়া প্যান্ট কেনেন তিনটি ভিন্ন ব্র্যান্ড শপ থেকে। জারা, টপশপ এবং ফরএভার ২১ থেকে এগুলো কেনেন তিনি। তিনি প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে, ওই নারীর অভিযোগ একেবারে সঠিক। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। তাতে দেখা গেছে, নারীদেহের পোশাকের সাইজ ঠিক করার বিষয়টি কিভাবে এগিয়েছে। ১৯৮৩ সালে এক অপুষ্ট দেহের ককেশিয়ান নারীর দেহের পোশাকের মাপ থেকে আজকের সাইজ কিভাবে এলো তা উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদক প্রমাণ করেছেন যে, নারীদের তিন সাইজের জিন্স প্যান্টগুলো একই সাইজের, কিন্তু আসলে সবগুলো ভিন্ন ভিন্ন সাইজ বলে উল্লেখ করা রয়েছে। পোশাকের নির্দিস্ট সাইজ নির্ধারণের বিষয়টি মার্কেটিংয়ের অংশ। এগুলো দোকান থেকে দোকানে ভিন্ন হতে পারে। এতে প্রমাণ মেলে যে, একেক নির্মাতা আকার নির্ধারণে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেন। আমেরিকার সানি বাফেলো স্টেট-এর ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্সটাইল টেকনলজি ডিপার্টমেন্টের চেয়ার এবং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর লিন বোরাডি জানান, আসলে সবাই যার যার নিজস্ব মার্কেটিং পদ্ধতি অবলম্বন করে এগিয়ে যাচ্ছে। যখন অ্যাবারক্রম্বি এবং ফিচ মার্কেটিং করছে, তখন তারা টার্গেটকৃত মার্কেটিংকে ভিত্তি করে সাইজ নির্ধারণের কাজটি করছে। কাজেই যারা একটি ব্র্যান্ডের এক সাইজে ফিট হওয়ার পর অন্য ব্র্যান্ডের অন্য সাইজে ফিট হন, তাদের জন্য আসলে নির্দিষ্ট কোনো মাপ নেই। এসব মাপের কোনো অর্থ তার কাছে নেই।

একটি উত্তর ত্যাগ