
গড়াইনিউজ২৪.কম:: লোকবলের অভাব, রেজিস্ট্রেশনে অনীহা, বেদখলি জমি পুনরুদ্ধারে প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং প্রচলিত ওয়াকফ আইনের নানা ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে ময়মনসিংহ বিভাগে ওয়াকফ এস্টেটের ২০ হাজারের বেশি একর জমি বেহাত হয়ে যাচ্ছে। এতে প্রতি বছর মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। ময়মনসিংহ বিভাগে ওয়াকফ এস্টেটের আওতায় ৩০ হাজার একর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ২৭টি এস্টেটের ৮২০ একর, জামালপুরে ৩১টি এস্টেটের ২৬০ একর, শেরপুরে ৬২টি এস্টেটের ৬৪ একর জমি ওয়াকফ প্রশাসনের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হয়েছে। অবশিষ্ট জমি ওয়াকফ প্রশাসনের তালিকাভুক্ত না করায় জবরদখল হয়ে যাচ্ছে। জানা যায়, ১৮৮০ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বৃহত্তর ময়মনসিংহের অধিকাংশ মুসলমান জমিদার, ভূস্বামী ও দানশীল অবস্থাপন্ন ব্যক্তিরা বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকা শরিফ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কবরস্থান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়াকফ করে যান। ১৯৪০ সালে ময়মনসিংহ শহরের কাচিঝুলিতে ওয়াকফ অফিস খোলা হয়। অফিসে মাত্র একজন পরিদর্শক, দুজন সহকারী এবং একজন পিয়ন রয়েছেন। মূল ভবনটি ধ্বংসপ্রায় হওয়ায় ছোট পরিসরে দুটি টিনের ঘরে চলছে কার্যক্রম। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওয়াকফ কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, লোকবলের অভাবে এস্টেটের পরিদর্শন, হিসাবপত্র অডিট ও অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। এসব কারণে ওয়াকফ সম্পত্তি বেআইনীভাবে বিক্রি, হস্তান্তর ও বেহাত হয়ে যাচ্ছে ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আতিকুর জামান ছন্দ
কুষ্টিয়া অফিস: রহমান টাওয়ার (বি-৩), পুরাতন আলফার মোড়, দাদাপুর সড়ক, কুষ্টিয়া।
ঢাকা অফিস - ৫০/১ হাবিব সেন্টার (৯ম তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা -১০০০।
মোবাইলঃ + ৮৮ ০১৭১৪-৫৪৬৬৭৩