ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র সুমন পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার

0
338

সৌরভ শাহরিয়ার,গড়াইনিউজ২৪.কমঃ কুষ্টিয়ার খাজানগর গ্রামের বিশিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী মোঃ আলী জিন্নাহ’র পুত্র ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র সুমন আহমেদ গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার ।

সুমন আহমেদ কুষ্টিয়া জিলা স্কুল,কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ অর্থাৎ পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ ৫ প্রাপ্ত একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত ভদ্র,বিনয়ী ও মেধাবী শিক্ষার্থী। বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে অনার্সে শিক্ষারত। গত ৩১ আগষ্ট সুমন আহমেদের বাসা থেকে ইয়াবা ও হিরোইন পাওয়া গেছে এই অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। সুমনের পিতা মোঃ আলী জিন্নাহ জানান, তার ছেলে মাদক তো দুরের কথা ধুমপান পর্যন্ত করে না। ডোপ টেষ্ট করে তার শরীরে কোন মাদকের প্রমান মেলেনি। তার মতো মেধাবী ছাত্রকে মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরচেয়ে লজ্জার বিষয় আর কি হতে পারে। আমার ছেলে মোবাইলের কলের লিষ্ট চেক করলেই প্রমান মিলবে তার সাথে কোন মাদক ব্যবসায়ী তো দূরের কথা মাদকাসক্তদের সাথে তার কোন যোগাযোগ নেই। শিশু শ্রেণী থেকে যে ছেলেটি প্রথম স্থান অধিকার করতে করতে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার বিরুদ্ধে একোন নোংরা ষড়যন্ত্র? আমাদের বাসায় অনেক রকম মানুষ আসে। কিভাবে এই মাদক আমাদের ঘরের খাটের নিচে এলো তা জানা নেই। তবে যে ইনফরমার এ কাজটি করেছে তাকে আটক করলেই সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে। এদিকে সুমন আহমেদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ও খাজানগর এলাকাবাসী ফুঁসে উঠেছে। তাদের দাবি তার পিতার ব্যবসায়ীক প্রতিপক্ষরা তার সন্তানকে এভাবে ফাঁসিয়েছে ।

বিষয়টি কুষ্টিয়ার সর্বস্তরের মানুষের কাছে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উন্মোচনের দাবি জানিয়েছেন সুমন আহমের সহপাঠি ও তার পরিবারের লোকজন ।