অনিশ্চয়তা কাটিয়ে কুষ্টিয়ায় শুরু হয়েছে বোরো চাল সংগ্রহ অভিযান!

0
803

কুষ্টিয়া অফিস :অনিশ্চয়তা কাটিয়ে কুষ্টিয়ায় শুরু হয়েছে বোরো চাল সংগ্রহ অভিযান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলার কোন মিল মালিক ব্যাংকে জামানত জমা দিতে না পারলেও সময় বাড়ার পর জামানত জমা দিয়েছেন মিল মালিকরা। সময় বাড়ার পর বোরো চাল ক্রয় শুরু করেছে জেলা খাদ্য অফিস। এমনতিইে এ বছর বোরো মৌসুম অনেক আগেই পার হয়েছে। বাজারে ধান ও চাল দুটোর দামই বেশি। তার ওপর মতাসীন দলের নেতারা প্রতিবারই কয়েক কোটি টাকা ভাগ বসান বোরো সংগ্রহ অভিযান থেকে। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, এর আগের বছরগুলোতে বোরো চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয় জুন মাসের দিকে। আগষ্ট মাসে শেষ হয় সংগ্রহ অভিযান। তবে এ বছর আগে ধান কেনা হয়েছে। যার ফলে চাল ক্রয়ের ব্যাপারটি পিছিয়ে যায়। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে চাল ক্রয়ের জন্য চিঠি পাঠানো হয়। জেলা খাদ্য অফিস সুত্র জানিয়েছে, গত বছর কুষ্টিয়া জেলা থেকে ২৫ হাজার মেট্রিক টন চাল ক্রয় করা হলেও এ বছরের বরাদ্দের পরিমান কমে ১২ হাজার হাজার মেট্রিক টন হয়েছে। সদর উপজেলা থেকে কেনা হবে ১০ হাজার মেট্রিক টন। বাকি চাল আসবে ৫টি উপজেলা থেকে। সরকার চালের দাম নির্ধারণ করেছে ৩২ টাকা কেজি। সদর উপজেলায় মিলারে সংখ্যা ৩৭০জন। এর মধ্যে অটোমেটিক চাল কলের সংখ্যা ৩১টি। তবে সরকারের সাথে ৩২০জন চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। সূত্র জানায়, ২৫ জুলাই খাদ্য অধিদপ্তর থেকে বরাদ্দের চিঠি আসে। ৪ আগষ্ট জামানত জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল। আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতারা অনিহায় সভা পন্ড হয়ে যায়। পরে ৭ আগষ্ট নতুন করে সময়ে বাড়ানোর আবেদন করা হয়। জেলা খাদ্য সংগ্রহ কমিটিতে আওয়ামী লীগের তিনজন নেতা আছেন। দলের সাধারন সম্পাদক ছাড়াও সভাপতি ও সহ-সভাপতি এ কমিটির সদস্য। সদর উপজেলার আগে জেলার অন্য উপজেলায় চাল সংগ্রহ আগেই শুরু হয়েছে। সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শাহ নেওয়াজ বলেন, সময় বাড়ার পর মিল মালিকরা জামানত জমা দিয়েছেন। ইতিমধ্যে কয়েকজন মিল মালিক স্বল্প পরিসরে চাল দেয়া শুরু করেছেন। গত তিন দিনে প্রায় ৩০০ টন কেনা হয়েছে। আশা করছি, সময় মতো চাল কেনা শেষ হবে। চালকল মালিক সমিতির নেতা জয়নুল আবেদিন সাধু জানান, নতুন করে চিঠি আসার পর মিল মালিকরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। চালও দেয়া শুরু হয়েছে। খাদ্য সংগ্রহ কমিটির সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আজগর আলী বলেন,‘ যে জটিলতা ছিল তা কাটিয়ে ওঠে চাল কেনা শুরু হয়েছে। মিল মালিকরা সরকারে সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।