ইবি কর্মকর্তার বাজে মন্তব্য নিয়ে তোলপাড়!

0
92
সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিনে আব্দুল হান্নানের জয় কে নিয়ে মৃত্যু কামনা মন্তব্য !

কুষ্টিয়া অফিস, গড়াইনিউজ২৪.কম::  মোঃ আব্দুল হান্নান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপ-রেজিস্ট্রার। তিনি নিজেকে স্ব-ঘোষিত ইবি অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য-সচিব এবং স্বঘোষিত ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদ অফিসার ইউনিটের সভাপতি বলে দাবি করে থাকেন। তবে এক সময় তিনি ইবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে তার বিভিন্ন কর্মকান্ডে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সজীব ওয়াজেদ জয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টা। সজীব ওয়াজেদ জয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুত্র এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও হাজার বছরের শেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ দৌহিত্র। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের “ভিশন ২০২১” ইশতেহার প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। সজীব ওয়াজেদ জয় ২৭ জুলাই ১৯৭১ সালে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে জন্ম গ্রহন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এর জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল ২৬শে জুলাই দুপুর ১টা ১৬মিনিটে খসরু মূর্তুজা (Khosru Murtaza) নামের একটি ফেইসবুক আইডিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এর ছবিসহ শুভ জন্মদিন তারুণ্যের অহংকার, ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার সজীব ওয়াজেদ জয়! এই শিরোনামে অগ্রীম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে পোষ্ট করা হয়। আর এই পোষ্ট করা জন্মদিনের শুভেচ্ছায় যখন অনেকেই বিভিন্ন ভাবে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অভিনন্দন জানিয়ে মন্তব্য করেছেন, ঠিক সেই সময় খসরু মূর্তুজার পোষ্টে আব্দুল হান্নান তার মন্তব্যে লিখেছেন ‘ইন্না-লিল­াহ ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন’ যা নিয়ে ইতোমধ্যে স্যোসাল মিডিয়াতে ঝড় বইতে শুরু করেছে। অনেকই মন্তব্য করছেন ‘মুখে শেখ ফরিদ বগলে ইট’ এই হচ্ছে হান্নানের দশা। সচেতন মহল বলছেন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার হয়ে এত বড় একটা দ্বায়িত্বে থেকে এই রকম অন্যায় কখনো গ্রহনযোগ্য নয়। এ বিষয়ে আব্দুল হান্নানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয় নিয়ে বলেন এটা ভুল করে হয়ে গেছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের সম্মুখীন হলে তিনি তার ব্যক্তিগত আইডি থেকে কমেন্ট টা ডিলিট করে দেন এবং তার মুঠোফোন টি সুইচ অফ করে রাখেন। এই বিষয়ে সাইক্রিয়াটিক ডাঃ মাসুদ রানা সরকারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই রকম একটি সুন্দর দিনে জন্মদিনের বার্তায় তিনি যদি এই ধরনের কমেন্টস করে থাকেন তাহলে তার এইটা ব্যক্তি আক্রোশ অথবা তার মাথায় সমস্যা। একজন শিক্ষিত ব্যক্তির কাছে থেকে এই রকম পোষ্টে বির্তকিত মন্তব্য নিছক পাগলামী ছাড়া কিছুই না। সুশীল সমাজের বিশেষজ্ঞরা বলছেন একটি সুনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বায়িত্ববান পদে কর্মরত থেকে বর্তমান সরকারের আমলে এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে সজীব ওয়াজেদ জয় কে নিয়ে কুটুক্তি মন্তব্য করায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকুরীচুত্য করা উচিত। এই বাজে মন্তব্য করার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের বিরোধী হিসাবে হান্নানের প্রকৃত চেহারা ফুটে উঠেছে বলে তারা মনে করেন। তার অতীত এবং পারিবারিক খোঁজ নিলেই হয়তো বেড়িয়ে আসবে হান্নানের আসল চেহারা। বিস্তারতি পড়–ন আগামীকাল।

একটি উত্তর ত্যাগ