কুষ্টিয়ার সোহান ও পাশার প্রাইভেট কোচিং এর প্রতারণার ফাঁদে পড়ছে শত শত শিক্ষাথী!!

0
2639

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:: কুষ্টিয়া শহরতলীর কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের সামনে অবস্থিত সোহান ও পাশার প্রাইভেট কোচিং’র নামের ব্যাপক দূর্নীতি ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূত্রে জানা যায়, শিক্ষাকে বানিজ্য আর পণ্য বানিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তাঁতী নাহিদুল ইসলাম সোহান ও সাইদুল ইসলাম নয়ন ওরফে পাশা রাতা রাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশের সব সুনামধন্য বিশ্বাবিদ্যালয় এর ভর্তি কোচিংসহ পলিটেকনিক, ম্যাটস, প্যারাম্যাডিক্যাল প্রাইমারী নিয়োগ, শিক্ষক নিবন্ধন ও বি.সি.এস পরীক্ষার ভর্তি কোচিং এর ১০০% কমনের নিশ্চয়তা দিয়ে কোচিং করানোর নামে প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের সাথে দিনের পর দিন প্রতারনা করে যাচ্ছে সোহান ও পাশা ভাইয়ের স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম, যেন দেখার কেউ নেই! বৃহত্তর কুষ্টিয়ার সকল শিক্ষক/শিক্ষিকা, সুধীজন ও ছাত্র/ছাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যে সকল ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি হয়েছে তারা কেউ পর্যাপ্ত শীট পায়নি, যদিও সোহান ও পাশা ভাইয়ের স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম ভর্তির সময় শুধু মাত্র একটি গাইড ছাড়া আর কিছু দেয়নি, আবার পরে ভর্তির সময় অনেকে গাইড পায়নি এমন তথ্য সরেজমিনে ঘুরে পাওয়া যায়। অনেক ছাত্র-ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, আমরা ভর্তির সময় গাইড পায়নি আবার তারা ভালোভাবে ক্লাস নেবে সেটাও আবার ঠিকমত ক্লাস নেয়না। বৃহত্তর কুষ্টিয়ার অভিভাবক ও ছাত্র/ছাত্রীরা এই ধোকাবাজ পরিচালক সোহান ও পাশার হাত থেকে সাবঁধান, প্রতারণার ফাঁদ সোহান ও পাশা ভাইয়ের স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম এর পরিচালক সোহান ও পাশা সুনামধন্য শিক্ষকদের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। গত বছরের কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রীর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, গত বছর যারা ভর্তি হয়েছিল তাদরেকে সীট গাইড দিতে পারেননি আবার ঠিকমত ক্লাস নেননি। ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা সার্ভিস বিহীন সোহান ও পাশা ভাইয়ের স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি হয়ে তাদের সুন্দর ভবিষ্যত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সুত্রে আরো জানা যায়, উক্ত প্রতিষ্ঠানের খপ্পরে পরে ছাত্র/ছাত্রী ও অভিভাবকদের সর্বনাশ হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। একই শিক্ষকরা ২থেকে ৩টি ক্লাস পাঠদান করান এবং তারা অনভিজ্ঞ বলে জানা গেছে। সরেজমিনে যেয়ে জানা যায়, সোহান ও পাশা ভাইয়ের স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম এর মোট তিনতলা বিশিষ্ট বাড়ি, ১ম টির দায়িত্বে আছেন সাইদুল ইসলাম নয়ন ওরফে পাশা, ২য় তলার দায়িত্বে আছেন তাঁতী নাহিদুল ইসলাম সোহান ও তয় তলার দায়িত্বে আছেন মিল্টন হোসেন। এদের তিনজনের কাজই হচ্ছে চাপার জোড়ে এগিয়ে যাওয়া। আর যার চাপার জোর যত কম তার ফ্লোর তত উপরে। প্রথম দিকে সোহান ও পাশা ভাইয়ের স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম কোচিং এর পড়াশোনার মান ভাল থাকলেও পরে তা শেষ হয়ে যায় এবং কিছু দিন পর বেরিয়ে আসতে থাকে কথিত পরিচালক সোহান ও পাশার থলের বিড়াল। ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে অ-শালিন আচরন ও অর্থ বাণিজ্যের কারনে অল্প দিনেই গুটিয়ে যাচ্ছে তাদের শিক্ষা বাণিজ্য। বিভিন্ন সময় নানা ধরনের অপকর্মে হাতে নাতে ধরা পড়ে শাস্তি পেলেও থেমে থাকেনি তার কুৎসিত মনের নানা ধরনের কূ-কাজ। যার ফল ভোগ করতে হয়েছে উক্ত কোচিং এর কোচিং করতে আসা বিভিন্ন ছাত্রীদের। যেখানে পড়া শোনার থেকে গল্প ও আড্ডায় বেশি হয়ে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন গাইড থেকে সীট ফটোকপি করে দেওয়ার কথা বলে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। ভাল শিক্ষার কথা বললেও সেখানে নেই কোন ভাল শিক্ষক ও শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ছাত্র জানান, এখানে পড়াশোনা ভাল না হলেও ভর্তি পরীক্ষার আগে বিভিন্ন বিষয়ের নকল প্রশ্ন ম্যানেজ করে এবং ভর্তি করে দেবে বলে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেই । তাই ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল। তা না হলে, যে কোন সময় ঘটাতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা এমনটি ধারনা করছেন অনেকে। 

আগামীকাল পড়–ন সোহান ও পাশা ভাইয়ের স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম কোচিং এর ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করার নয়া কৌশল।